Article By – সুনন্দা সেন

পাঁচ জন ডিলারের মতে মার্চ মাসে ভারতের পাম তেল (Palm oil) আমদানি আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে। কিন্তু টানা চতুর্থ মাসে আমদানির পরিমাণ স্বাভাবিক স্তরের নীচে রয়ে গেছে। সয়াতেলের তুলনায় পাম তেলের প্রিমিয়ামের কারণে পরিশোধরা সয়াতেল (Soya oil) ক্রয় বাড়িয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাম তেলের ক্রেতা ভারতের স্বাভাবিকের চেয়ে কম আমদানি মালয়েশিয়ার পাম তেলের দামের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি তা মার্কিন বা US-এর সয়া তেলের ফিউচারকে সমর্থন করতে পারে।
ডিলারদের দ্বারা প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, পাম তেলের আমদানি এক মাস আগের তুলনায় ১৩.২% বেড়ে ৪২৩,০০০ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। তবে মার্চ মাসের শুরুর দিকে ডিলাররা অনুমান করেছিলেন যে মাসে পাম তেল আমদানি ৫,০০,০০০ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে শেষ হওয়া মার্কেটিং ইয়ার বা বিপণন বছরে ভারত প্রতি মাসে গড়ে ৭,৫০,০০০ টনেরও বেশি পাম তেল আমদানি করেছে বলে জানিয়েছে সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। এডিবেল ওয়েলের ব্যবসায়ী GGN রিসার্চের ব্যবস্থাপনা অংশীদার রাজেশ প্যাটেল বলেন, সোয়াতেলের তুলনায় পাম তেলের দাম বেশি হওয়ায় চাহিদাও কমে যাচ্ছে।
অন্যদিকে ডিলাররা জানিয়েছেন, মার্চ মাসে সয়া তেল আমদানি ২৪% বেড়ে মাসিক ভিত্তিত ৩,৫২,০০০ টনে দাঁড়িয়েছে। যেখানে সানফ্লাওয়ার ওয়েলের আমদানি ১৫.৫% কমে ১,৯৩,০০০ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়। পাম তেল এবং সয়া তেলের উচ্চ চালানের ফলে মার্চ মাসে দেশের মোট এডিবেল ওয়েল বা ভোজ্যতেলের আমদানি ৯,৮৬,০০০ টনে উন্নীত হয়েছে। যা আগের মাসে তুলনায় ৯.৩% বেশি। ডিলারদের অনুমান অনুসারে। তবে আমদানি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।




