Article By – সুনন্দা সেন

২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ভারতের আইফোন রপ্তানি ৫৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের ১৫.৬ মিলিয়ন ইউনিট রপ্তানি চলতি বছরের প্রথমার্ধে বেড়ে ২৩.৯ মিলিয়ন ইউনিট পৌঁছেছে। ক্যানাসিলের তথ্য অনুসারে, এটি দেশ থেকে প্রথমার্ধে অ্যাপলের দ্রুততম জাম্প। তীব্র প্রবৃদ্ধি অ্যাপলের বিশ্বব্যাপী উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশলে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রাধান্যকে তুলে ধরে। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ভারত থেকে পাঠানো আইফোনের প্রধান গন্তব্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। US-এ ভারতীয় আইফোনের রপ্তানি একবছর আগের ৫৩% থেকে বেড়ে ৭৮%-এ পৌঁছেছে। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে রপ্তানির অংশ হ্রাস পেয়েছে।
নেদারল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, মার্কিন যুক্তরাজ্য (UK), সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং জাপানের মতো বাজারে রপ্তানি ২%-৪% মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে। ক্যানালিস ওমদিয়ার প্রধান বিশ্লেষক সানিয়াম চৌরাসিয়া বলেছেন। ফক্সকন এবং টাটা গ্রুপ অর্ধেকেরও বেশি আইফোন রপ্তানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশ্চিত না হলেও এই আমদানির পরিমাণ এবং ধরণ দেখে মনে হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসের উইন্ড লঞ্চের আগেই পরীক্ষামূলক উৎপাদন বা প্রাথমিক পর্যায়ের সমাবেশ শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া ভারত শীঘ্রই চীনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইফোন তৈরি করতে পারে।
বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূ্ণ বিষয় হল, ভারত বর্তমানে আইফোন ১৭ (iphone 17) উৎপাদন বা প্রডাকশন টেস্টিং করার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি আগেই জানিয়েছিল যে ফক্সকন ভারতে আইফোন ১৭ সিরিজের প্রাথমিক ট্রায়াল প্রোডাকশন শুরু করেছে। ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংস্থা টাটা ইলেকট্রনিক্সও এর সাথে জড়িত। চৌরাসিয়া আরও বলেন, জুন মাসের কাস্টমস তথ্য থেকে জানা যায় যে ফক্সকনের ভারতীয় সুবিধায় আইফোন ১৭-এর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যা সেপ্টেম্বরে অ্যাপলের ঐতিহ্যবাহী লঞ্চের আগে দ্রুত পরীক্ষামূলক উৎপাদনের ইঙ্গিত দেয়।




