Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের রপ্তানিকারকরা বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US) আমদানি শুল্ক কমানোর পরেও আমেরিকার বাজারে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ছে না। বিশেষ করে শ্রীম্প (চিংড়ি), টেক্সটাইলসের মতো মূল রপ্তানি ক্ষেত্রগুলির ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত পুনরুদ্ধার দেখা যাচ্ছে না। কারণ বৈশ্বিক নীতির অনিশ্চয়তা ও বাণিজ্যগত সংশোধনী-সম্পর্কিত অস্পষ্টতা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। রপ্তানিকারকরা আরও বলছে যে, শুল্ক কমানোর পরেও বড় চাহিদা সৃষ্টি করতে পারেনি ভারত। সাথে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দেখে ব্যবসায়ীরাও নতুন অর্ডার নিতে ভয় পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে শক্তিশালী রপ্তানি খাতে পুনরুদ্ধারের জন্য শুধু শুল্ক কমানোই যথেষ্ট নয়। সংযুক্ত রাজ্যের সেকশান ৩০১ অনুসন্ধানে ‘অন্যায্য বাণিজ্য আচরণ’-এর ভিত্তিতে আমেরিকার ভারতের বিরুদ্ধে শুরু করা তদন্তও এই অনিশ্চয়তার একটি বড় কারণ, ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভবিষ্যতে রপ্তানি পুনরুদ্ধার খাতে স্থায়ী উন্নতির জন্য নীতি স্থিথিশীলতা দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য, চুক্তি এবং বৈচিত্রময় বাজারে প্রবেশ জরুরি। বিশেষ করে শ্রীম্প ও টেক্সটাইলের মতো শ্রমনির্ভর খাতগুলি জন্য শুল্ক এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগীতার মান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শ্রীম্প ক্ষেত্র গত কয়েক বছর ধরে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। মার্কিন বাজারের উচ্চ শুল্কের ফলে ভারতের শ্রীম্পের চাহিদা কমে যায়। যা পরে শুল্ক কমানোর পর চাহিদা পুনরুদ্ধার হবে ভাবলেও সেই ভাবে বৃদ্ধি পায়নি। পর্যবেক্ষনে দেখা গেছে আমেরিকায় শুল্ক কমানোর পরে যে হারে শ্রীম্প রপ্তানি বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে, যা এখনও পর্যাপ্ত নয়। সাথে টেক্সটাইল ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। শুল্ক কমার সাথে ভারতীয় টেক্সটাইল পণ্যগুলোর নতুন অর্ডার ও আমদানির চাহিদা প্রত্যাশার মতো বাড়েনি। উৎপাদন ও রপ্তানি হলেও অর্ডার বাতিলও হোল্ডের খবর বেড়েছে।




