Article By – সুনন্দা সেন

অনিল আম্বানির বিজনেস গ্রুপের উপর সমস্যা আরও ঘনিয়ে আসছে বলে মনে হচ্ছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED, অনিল আম্বানির রিলায়েন্স গ্রুপের সাথে সম্পর্কিত ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ৪০-টিরও বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। যার মধ্যে আম্বানির পালি হিলের বাসভবন এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা সম্পত্তি রয়েছে। ED জানিয়েছে যে তারা গ্রুপের সত্তাগুলির (entities) সাথে সম্পর্কিত প্রায় ৩,০৮৪ কোটি টাকার সম্পত্তি অস্থায়ী ভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে। ইডি দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, মুম্বাই, পুনে, থানে, হায়দ্রাবাদ, চেন্নাই কাঞ্চিপুরম, ইস্ট গোদাবরী জুড়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। আর এই আদেশ জারি করা হয়েছিল, তা অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে।
আরও জানা যাচ্ছে যে ইডি বর্তমানে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেড এবং এর সংশ্লিষ্ঠ সংস্থাগুলির সাথে জড়িত ঋণ জালিয়াতির (Loan Fraud) মামলার তদন্ত জোরদার করেছে। ইডির মতে অনিল আম্বানির সংস্থাগুলি ১৩,৬০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ স্থানান্তর করেছে। এর মধ্যের ১২,৬০০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক দিকে থেকে কোম্পানির সাথে যুক্ত সংস্থাগুলিতে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে আবার প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হয়েছে। অবশ্য তা পরে বাতিল করে গ্রুপের সত্তাগুলিতে পাঠানো হয়েছে।
আর এই সব রিলাযেন্স হোম ফাইন্যান্স লিমিটেড (RHFL) এবং রিলায়েন্স কমার্শিয়াল লিমিটেড (RCFL) দ্বারা সংগৃহীত জন সাধারণের অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর এবং পাচারের অভিযোগের পর শুরু হয়। তারপর সমানে আসে যে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ইয়েস ব্যাংক RHFL-এ ২,৯৬৫ কোটি টাকা এবং RCFL-এ ২,০৪৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের পর বিনিয়োগে অসুবিধা আসে। আর এখনও RAFL-এর ১,৩৫৩.৫০ কোটি টাকা এবং RCFL-এর ১,৯৮৪ কোটি টাকার বকেয়া বাকি রয়েছে। সাথে ইডি এই জালিয়াতির সাথে যুক্ত কোম্পানিগুলির বিলের বৃহৎ ডিসকাউন্টিংয়ের আকারের কথাও তুলে ধরেছে।




