Article By – সুনন্দা সেন

২০২৫ সালের শুরু থেকে বিশ্বের ১১ জন ধনী ব্যক্তির সম্পদে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিলিয়নারদের সম্পদের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। ইলন মাস্ক এখনও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে রয়ে গেছেন। তবে তিনি ৩৫.২ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫-এ প্রকাশিত ব্লুমবার্গের বিলিয়নার সূচক অনুযায়ী, মাস্কের সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেয়ার বাজারে তার কোম্পানির শেয়ারের দামে ওঠানামার কারণে। আমেরিকান এবং কানাডিয়ান নাগরিকত্ব ধারণাকারী মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ৩৯৭.৩ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে জানা যাচ্ছে যে তালিকায় ছয়জন ভারতীয় বিলিয়নার রয়েছেন। এবছর এই পর্যন্ত কোন ৬ জন ভারতীয় বিলিয়েনার সম্পদ হারিয়েছেন তা দেখে নেওয়া যাক। –
- গৌতম আদানি: প্রতিকূল বাজারের মুখমুখি হওয়ার পর আগত চ্যালেঞ্জগুলি আদানির বিভিন্ন কোম্পানির উপর প্রভাব ফেলছে। যার ফলে গৌতম আদানির সম্পদ উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে। ভারতীয় বিলিয়নেয়ারে সম্পদ ৫৬.৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
- শিব নাদার: এই ভারতীয় বিলিয়নেয়ার সম্পদের উৎস মূলত তার IT জায়ান্ট HCL টেকনোলজির। যা সর্বদা প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বব্যাপী টেক ইন্ডাস্ট্রিতে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। যার ফলে নাদার ৪.৫ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। আর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৮.৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়ে।
- রাভি জয়পুরিয়া: খাদ্যও পানীয় খাতের বিভিন্ন ব্যবসায়িক স্বার্থের সাথে জয়পুরিয়ার সম্পদ জড়িত। যেখানে যেখানে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই কারণে মুনাফা প্রভাবিত হওয়ার সাথে জয়পুরিয়া মোট ৪.২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ হারিয়েছে। আর তার সম্পদ ১৩.১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়ে।
- সাবিত্রী জিন্দাল: ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট জিন্দালের ৩.৯ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে তার সম্পদের পরিমাণ ২৮.৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়ে। গ্রুপের সম্পদ বিশ্বব্যাপী চাহিদার ওঠানামা এবং ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচের কারণে প্রভাবিত হয়েছে।
- দিলীপ সংঘভি: ওষুধ কোম্পানি সান ফার্মার সাথে জড়িত সাংঘভির সম্পদ। যা সম্প্রতি বিশেষ ভাবে নিয়ন্ত্রক এবং চাপের সম্মুখীন। যদিও এখনও এটি ভারতের শীর্ষ ফার্মা বা ওষুধ কোম্পানি। তবে চ্যালেঞ্জের কারণে সাংঘভি ৩.৮ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ২৫.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়ে।
- K P সিং: রিয়েল এস্টেট কোম্পানি DLF-এর প্রতিষ্ঠাকারী ৩বিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। যার ফলে K P সিংয়ের সম্পদ ১৪.৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। DLF বাজারের অস্থিরতার কারণে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীণ, আর তার প্রভাব সম্পত্তিতে পড়ছে।




