Article By – আস্তিক ঘোষ

কুয়াশার কারণে দেশের অনেক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্বের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই রকমের বেশিরভাগ ঘটনা উত্তর ভারত থেকে আসছে, যেখানে শীতকালে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা শূন্য হয়ে যায়। এমন অবস্থায় ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু এখন আর যাত্রীদের আগের মতো সমস্যায় পারতে হবে না। কারণ ফ্লাইট বিলম্বের বিষয়ে এয়ারলাইন্সগুলোকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন বিমানমন্ত্রী।
বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু কুয়াশার প্রস্তুতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেছিলেন। এই সময় তিনি এয়ারলাইন কোম্পানিগুলোকে বলেন, ফ্লাইটে দেরি হলে যাত্রীদের সে বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, কোনও ফ্লাইট তিন ঘণ্টার বেশি দেরি হলে তা বাতিল করতে হবে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার বিষয়ে বিমান সংস্থাগুলিকে স্পষ্ট নির্দেশও দিয়েছেন।
তিনি বলেন, যাত্রীরা যাতে কোনও ঝামেলায় না পড়েন সে জন্য চেক-ইন কাউন্টারে স্টাফ থাকতে হবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে “এই শীতে দৃশ্যমানতা-সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জগুলি পরিচালনা করার প্রস্তুতি সঠিক দিকে এগোচ্ছে।” এছাড়াও এতে উদ্ভূত সমস্যা দূরীকরণেও ভালো অগ্রগতি হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কম দৃশ্যমানতার কারণে কোনও ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল হলে যাত্রীদের সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য দিতে হবে।
ফ্লাইটটি তিন ঘণ্টার বেশি দেরি হলে সেই ফ্লাইট বাতিল করতে হবে বিমান সংস্থাকে। ফ্লাইট বাতিল হলে যাত্রীরা এয়ারলাইন্স থেকে অনেক বিশেষ সুবিধা পান। এই ক্ষেত্রে যাত্রী বিমান সংস্থা থেকে টিকেটের দাম ফেরত পেতে পারেন।
আবার, ফ্লাইট বাতিলের ক্ষেত্রে এয়ারলাইনটি দ্বিতীয় ফ্লাইট অফার করে। এর জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে কোনও অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না। দ্বিতীয় ফ্লাইট বিলম্বিত হলে যাত্রীদের খাবার ও হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা এয়ারলাইনের দায়িত্ব। এর জন্যও কোনও টাকা নেওয়া হয় না।




