৩০ জুলাই, ২০২৪ অর্থাৎ মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (World Gold Council) বা WGC বলেছে, জুন ত্রৈমাসিকে ভারতের সোনার চাহিদা এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় ৫% হ্রাস পেয়েছে। তবে বাজেটে আমদানি করের তীব্র হ্রাসের পর ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধে চাহিদা আবার বাড়তে চলেছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গোল্ড কনজিউমার। যা বিশ্বের গোল্ড কনজিউমারকে সাপোর্ট করে। আর সোনার আমদানি শুল্ক হ্রাসের ফলে সোনার বাণিজ্য বৃদ্ধি হবে যা বৈশ্বিক গোল্ড মার্কেটে সোনার মূল্য হ্রাসেও সাহায্য করবে।
WGC- এর ভারতীয় অপারেশনের CEO শচীন জৈন বলেছেন, সোনার আমদানি শুল্কের সাম্প্রতিক ৯% পয়েন্ট হ্রাসে দেশের প্রধান উৎসবের মরশুমের আগে বাস্তবায়িত হওয়ায় সোনার চাহিদা পুনরুজ্জীবিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বর্ষার ভাল বৃষ্টি সেই চাহিদাকে আরও সমর্থিত করবে। তিনি পাশাপাশি আরও জানিয়েছেন যে, গত সপ্তাহে বাজেটে ভারত সরকার দ্বারা সোনার আমদানি শুল্ক ১৫% থেকে কমিয়ে ৬% করার প্রচেষ্টা সোনার খুচরা চাহিদা বাড়াতে এবং চোরাচালান কমাতে সহায়তা করতে পারে।
গত সপ্তাহে শুল্ক হ্রাস দেশের অভ্যন্তরীণে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে কমিয়ে ৬৭,৫০০ টাকায় নামিয়ে এনেছিল। যা গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। কারণ চলতি মাসের শুরুতেই সোনার সর্বোচ্চ রেকর্ড মূল্য ছিল ৭৪,৭৭৭ টাকা। আর বর্ষা যেভাবে সোনার চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করবে তা হলো, বর্ষা খাদ্যশষ্যের উৎপাদন বাড়াবে এবং কৃষকদের আয়। যে কারণে কৃষকরা সোনা কিনতে খরচ করবে। জানিয়ে রাখা ভালো যে ভারতের সোনার চাহিদার দুই – তৃতীয়াংশ আসে সাদারণত গ্রামীণ এলাকা থেকে।
রিপোর্ট বলছে ২০২৪ সালে ভারত থেকে সোনার চাহিদা ৭০০ মেট্রিক টন থেকে ৭৪০ মেট্রিক টন হতে পারে। যা শেষ চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অবশ্য RBI জুন ত্রৈমাসিকে স্বর্ণ ক্রয় অব্যাহত রেখেছে। যার দরুণ বছরের প্রথমার্ধে দেশের সোনা কেনাকাটার পরিমান ৩৭ টনে এসেছে। যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
Article By – সুনন্দা সেন






