Article By – সুনন্দা সেন

বাণিজ্য বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতের পণ্য রপ্তানি ১% কমে ৩৮.০১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যেখানে আমদানি ৪.৯% বেড়ে ৫৯.৯৫ বিলিয়ন ডলারে দাড়িয়েছে। যার ফলে ডিসেম্বর, ২০২৪-এ ২১.৯৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বা UNCTAD গত মাসে তাদের গ্লোবাল ট্রেড আপডেট বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে পরিবর্তনের সাথে ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নেতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করবে। কারণ থাকবে অনেক দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প নীতি, প্রসারিত বাণিজ্যিক যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা।
যদিও বিশ্বব্যাপী নিয়ন্ত্রিত মুদ্রাস্ফীতি, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এবং ব্যবসায়িক কার্যকলাপের উন্নতি ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে বিশ্ব বাণিজ্যে ইতিবাচক গতির ইঙ্গিত অব্যাহত রাখছে। UNCTAD ২০২৪ সালে পরের বছরের জন্য বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য ৩.৩% বা ১ ট্রিলিয়ন ডলার বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। যেখানে পণ্য ও পরিষেবা উভয়ই প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অবদান রাখবে। এর আগে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা WTO ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী পণ্য বাণিজ্য প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.৩% থেকে কমিয়ে ৩%-এ নামিয়ে এনেছে। এও জানা যাচ্ছে যে ২০২৪ সালের জন্য WTO বাণিজ্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস ২.৬% থেকে সংশোধন করে ২.৭% করেছিল।
তবে, বহুপাক্ষিক বাণিজ্য সংস্থাটি বলেছে যে আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে পূর্বাভাসের ঝুঁকি দৃঢ়ভাবে নিম্নমুখী। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত আরও তীব্র হলে, এর প্রভাব অন্যান্য অঞ্চলেও দেখতে পাওয়া যাবে। আর এই প্রভাবগুলির মধ্যে রয়েছে জাহাজ চলাচলে আরও ব্যাঘাত এবং উচ্চ ঝুঁকি প্রিমিয়ামের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি। এছাড়া জানা যাচ্ছে যে ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে পণ্য বাণিজ্যে বার্ষিক ২.৩% বৃদ্ধি দেখা গেছে। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ক্রমবর্ধমান সুদের হারের কারণে ২০২৩ সালে ১.১% মন্দার পটভূমিতে এই প্রত্যাবর্তন ঘটেছে।




