Article By – সুনন্দা সেন

একটি সরকারী সূত্রের মতে, ভারত ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের জন্য তার মূলধন ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির রাখার জন্য ত্রৈমাসিক ব্যয়ের সীমা শিথিল করার বিষয়ে বিবেচনা করছে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে এপ্রিল-জুন মাসে ফেডারেল সরকারের ব্যয় কমে যায়, সেপ্টেম্বর থেকে ছয় মাসে মোট ব্যয় পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪৪%- এ দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি অর্থনৈতিক সূচকে সাম্প্রতিক মন্দার একটি কারণ হল দুর্বল ব্যয়। রয়টার্সের একটি জরিপ অনুসারে ভারতের শিল্প উৎপাদন আগস্টে প্রায় দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমেছে। তবে সেপ্টেম্বরে ২.৫% বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রের খবর হলো আগামী মাসগুলিতে ক্যাপএক্স বৃদ্ধি পাবে। মূলধন ব্যয় বা ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় এপ্রিল-সেপ্টেম্বর সময়ে ছিল ৪.১৫ ট্রিলিয়ন টাকা বা রুপি (৪৯.১৮ বিলিয়ন ডলার)। যা এক বছর আগের ৪.৯ ট্রিলিয়ন রুপি ছিল। কেন্দ্র সরকার ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য রেকর্ড ১১.১১ ট্রিলিয়ন রুপি মূলধন ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বর্তমানের মূলধন ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৩৭%।
সরকার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য তার বাজারের ঋণ পরিবর্তন করার সম্ভাবনা কম দেখছে। কারণ কোভিড -19 মহামারী চলাকালীন গৃহীত ঋণের উচ্চতর খালাস বিবেচনা করে পরিকল্পনাটি দৃঢ় করা হয়েছিল। সূত্রটি বলেছে, তাই এটি ২০২৫-২৬ সালে মোট ঋণের উপরও প্রভাব ফেলবে। যা ঋণ পরিশোধের কারণে একটি স্পাইক দেখতে পারে এমনকি এর কারণে নেট ঋণের পরিমাণ বেশি নাও হতে পারে।
এর পাশাপাশি আরও জানা যাচ্ছে যে সরকার চলতি অর্থবছরে বন্ডের মাধ্যমে মোট ১৪.০১ ট্রিলিয়ন টাকার ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য রাখে। ২০২১ অর্থবছরে ভারত সরকার ১২.৬ ট্রিলিয়ন রুপি ঋণ নিয়েছিল। যা তার আগের বছরের ৭.১ ট্রিলিয়ন রুপি থেকে বেশি ছিল। আর লকডাউনের কারণে রাজস্ব হ্রাস পেয়েছিল। তবে এরপর থেকে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে।




