buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Crude oil

তেল আমদানি বাড়েনি, তবুও ৫ মাসের অতিরিক্ত খরচ ২৪.৪ বিলিয়ন ডলার! ভারতের ক্রুড বিল ৪৮% বাড়ার নেপথ্যে কী?

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

চলতি অর্থবর্ষের প্রথম পাঁচ মাসে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির খরচে বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেছে। এপ্রিল থেকে আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে ভারতের অপরিশোধিত তেলের আমদানি বিল (crude oil import bill) ৪৮.৪% বেড়ে ৭৪.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল প্রায় ৫০.৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র পাঁচ মাসে অতিরিক্ত প্রায় ২৪.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই বৃদ্ধি বেশি তেল কেনার কারণে নয়। এপ্রিল-আগস্টে ভারত প্রায় ১০০.৭ মিলিয়ন টন অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ১০১.১ মিলিয়ন টন। 

July 18 New in article ads By Sir 1

আমদানির পরিমাণ সামান্য কমলেও বিল প্রায় ৪৮% বেড়েছে। এর প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের চড়া দামআগস্ট মাসেই ভারতের ক্রুড আমদানি বিল প্রায় ১৮% বেড়ে ১১.৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যদিও আমদানির পরিমাণ ৩% কমে প্রায় ১৯ মিলিয়ন টনে নেমেছে। একই সময়ে ভারতীয় ক্রুড মার্কেট (Indian crude basket)-এর গড় দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৯০.১৯ ডলার হয়েছে, যা এক বছর আগে ছিল প্রায় ৬৯.১০ ডলার। এর সঙ্গে ভারতীয় মুদ্রার দুর্বলতাও চাপ বাড়িয়েছে। 

এপ্রিল-আগস্টে ডলারের হিসাবে ক্রুড আমদানি বিল (crude import bill) প্রায় ৪৮% বাড়লেও রুপির হিসাবে খরচ প্রায় ৬২% বেড়েছে। কারণ এই সময়ে ডলারের বিপরীতে রুপি প্রায় ৮.৭% দুর্বল হয়েছে। ভারতের জন্য পরিস্থিতিটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেশের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৮৮%-ই আমদানি নির্ভর। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দীর্ঘদিন উঁচু থাকলে ভারতের আমদানি বিল ও বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বাড়তে পারে, চলতি হিসাবের ঘাটতি (current account deficit)-এর উপর চাপ পড়তে পারে এবং পরিবহণ ও উৎপাদন খরচের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

ব্যবসায়িক দিক থেকে মূল বার্তা হল, ভারত তেলের পরিমাণ বেশি আমদানি না করলেও আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিল-আগস্টে আমদানি বিল ৪৮% বেড়ে ৭৪.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার খরচ বাড়ছে এবং রুপির উপর চাপ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি, পরিবহণ ও উৎপাদন ব্যয় বাড়লে বিমান, লজিস্টিকস, রাসায়নিক, পেইন্ট এবং অন্যান্য তেলনির্ভর শিল্পের খরচ বাড়তে পারে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতিতেও পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading