Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের কাট এবং পলিশ ডায়মন্ড বা CPD রপ্তানি হ্রাস পেয়ে গত এক দশকের সর্বনিম্ন স্তর ১২.৫ থেকে ১৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। যা দেখায় যে ২০২৫ অর্থবছরে এই রপ্তানির পরিমান আরও ১৮%-১৯% হ্রাস পাবে। এই পতনের নেতৃত্বে রয়েছে ভলিউমের ১৩%-১৪% হ্রাস এবং গড় আদায়ের ৫%-৬%-এর পতন। জানা যাচ্ছে চলতি অর্থবছরে ভারতের ডায়মন্ড বা হীরের রপ্তানি ২৮% হ্রাস পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা বিশ্বব্যাপী সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি এবং ল্যাব গ্রোন ডায়মন্ড বা LGO থেকে বর্ধিত প্রতিযোগিতার কারণে দেশের হীরে রপ্তানি কমছে। ICRA একটি নোটে বলেছে, দুটি প্রধান ভোক্তা বাজারের নিম্ন চাহিদার সাথে মুদ্রাস্ফীতির চাপের কারণে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের পছন্দ পরিবর্ধিত হয়ে যাওয়ায়। ভারতের হীরের রপ্তানিতে মন্দা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিটি একবছরে হীরে রপ্তানিতে ১৯% হ্রাসের সাক্ষী হতে চলেছে।
রেটিং এজেন্সি তার সেক্টরের দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক রেখে। যদিও আসন্ন মাসগুলিতে ভলিউমের কিছু ক্রমিক উন্নতি আশা করা হচ্ছে। যা চালিত হবে উৎসবের মরশুম দ্বারা। ICRA-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সেক্টর হেড সাক্ষী সুনেজার মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থা ও অব্যাহত মুদ্রাস্ফীতির চাপের কারণে ভারতের হীরা বা ডায়মন্ড জয়েন্টরা ক্রমাগত চাহিদার মন্দার সম্মুখীন হচ্ছে। এছাড়াও রাশিয়ান হীরার উপর G7 দেশগুলির দ্বারা আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা চাহিদাকে প্রভাবিত করছে।
হীরাখচিত গহনার জন্য ক্রমবর্ধমান অগ্রাধিকার সহ ভারত বিশ্বব্যাপী মাঝে একমাত্র উজ্জ্বল স্থান। যা চাহিদা কমার কারণে ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে পলিশের দাম কমিয়েছে।২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সেই দাম সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। আর এই উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার সত্বেও পলিশের দামের উপর চাপ অব্যাহত থাকবে। আর তা পরের অর্থবছরেও দেখতে পাওয়া যাবে।




