Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্বব্যাপী চালের চাহিদা পুনরুদ্ধার শুরু হওয়ার সাথে সাথে ভারতে চালের দাম এই সপ্তাহে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভিয়েতনাম এবং থাইল্যান্ডের বাজারগুলি নিম্নমুখী থাকার কারণে এটি ঘটেছে। ভারতের রপ্তানিকৃত ৫% ভাঙা সিদ্ধ চালের দাম প্রতি টন ৩৮০-৩৮৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত সপ্তাহের ৩৭৮-৩৮৪ ডলারের তুলনায় বেশি। একইভাবে, ৫% ভাঙা সাদা চালের দামও সামান্য বেড়েছে। যা এখন প্রতি টন ৩৭৩-৩৭৭ ডলারের মধ্যে লেনদেন হচ্ছে। ভারতের অন্যতম শীর্ষ চাল রপ্তানিকারক সত্যম বালাজির নির্বাহী পরিচালক হিমাংশু আগরওয়াল মুদ্রার ওঠানামার কারণকে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বর্তমান বিশ্ব বাজারের পরিস্থিতি মোকাবেলায় ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য এই মুদ্রা পরিবর্তন একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রদান করেছে। ভারতের চালের সরবরাহ এখনও শক্তিশালী। সরকারি সূত্র থেকে জানা গেছে ১ জুন,২০২৫ পর্যন্ত ৫৯.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন চালের মজুদ রয়েছে। এই সংখ্যা জুলাই মাসের সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চারগুণ বেশি, যা দেশের চালের মজুদের পরিমাণ তুলে ধরে। বৃহৎ মজুদ স্থানীয় দাম স্থিতিশীল করতে এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটাতে সাহায্য করতে পারে।
অন্যদিকে ভিয়েতনামে চালের দাম গত সপ্তাহে প্রতি টন ৩৮৮ ডলার থেকে সামান্য কমে ৩৮৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। হো চি মিন সিটির একজন ব্যবসায়ী রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, ধীরগতির বিক্রি সত্ত্বেও, সরকার চীনে রপ্তানি জোরদার করার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করছে। আবার থাইল্যান্ডে চালের দামও সামান্য হ্রাস পেয়েছে। যা প্রতি টন ৩৯৮ ডলার থেকে কমে ৩৯৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। থাইল্যান্ডে চাহিদা এখনও দুর্বল, শক্তিশালী স্থানীয় মুদ্রার কারণে রপ্তানি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এছাড়া বাজার শীতল করার লক্ষ্যে সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।




