Article By – সুনন্দা সেন

দেশের টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সম্মুখীন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামীতে এই বৃদ্ধি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। রপ্তানি থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির প্রসার, সর্ব ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাবে বলেই আশা করা হচ্ছে। ইনভেস্টমেন্ট ইন্ডিয়ার মতে, ২০২২ সালে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির অভ্যন্তরীণ বাজারের মোট মূলধন ছিলো ১৬৫ বিলিয়ন ডলার। যার মধ্যে ১২৫ বিলিয়ন ডলার এসেছিলো অভ্যন্তরীণ বিক্রি এবং ৪০ বিলিয়ন ডলার এসেছেছিল অভ্যন্তরীণ রপ্তানি থেকে।
অনুমান করা হচ্ছে যে দেশের টেক্সটাইল সেক্টরের অভ্যন্তরীণ খাতটি ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১০% চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধির সাথে ৩৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। যেখানে ২০২৬ অর্থ বছরের মধ্যে মোট টেক্সটাইল রপ্তানি পৌঁছাবে ৬৫ বিলিয়ন ডলারে। টেক্সটাইল অর্জনের পাশাপাশি, ভারত বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম বা PPE(personal protective equipment)- এর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রস্তুতকারক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৬০০ টিরও বেশি সার্টিফায়েড PPE কোম্পানির সাথে। এছাড়া অনুমান করা হচ্ছে যে ভারত ২০২৫ সালের মধ্যে প্রত্যাশিত বাজারে টেক্সটাইল ৯২.৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার ভাল অবস্থানে রয়েছে, যা ২০১৯ সালের ৫২.৭ বিলিয়ন ডলার থেকে বেশি।
টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি দেশেরএকটি প্রধান কর্মসংস্থানের চালিকাশক্তি। যা ৪৫ মিলিয়ন ব্যক্তিকে সরাসরি চাকরি প্রদান করে এবং এর সম্পর্কিত খাতে অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন ব্যক্তিকে নিযুক্ত করে। দফতরে কাজে নয়, শুধুমাত্র তুলা চাষে আনুমানিক ৬ মিলিয়ন কৃষক এবং ৪০ মিলিয়ন লোক এই শিল্পের প্রক্রিয়াকরণ এবং বাণিজ্যের সাথে জড়িত। এই বৃদ্ধিকে সমর্থন করার জন্য, ভারত সরকার ১০,৬৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ সহ প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) স্কিম চালু করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য মানবসৃষ্ট ফাইবার (MMF) পোশাক, MMF কাপড় এবং প্রযুক্তিগত টেক্সটাইলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।





