Article By – সুনন্দা সেন

১৭ জুন PTI দ্বারা প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা সাওয়িত কিনাবালু গ্রুপ মঙ্গলবার জানিয়েছে যে তারা ২০২৭ সালে শেষ হওয়া পাঁচ বছরের চুক্তির অংশ হিসেবে ভারতীয় ভোগ্যপণ্য সংস্থা (consumer goods firm) পতঞ্জলি গ্রুপকে ১৫ লক্ষ পাম তেল বীজ সরবরাহ করেছে। মালয়েশিয়া দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে পাম তেলের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী। তবে প্রথমবারের মতো কোনও রাষ্ট্রীয় সংস্থা কোনও দেশের সাথে পাম তেলের বীজ সরবরাহের জন্য চুক্তি করেছে। বর্তমানে ভারতের পাম তেল উৎপাদনের ৯৮% অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা এবং কেরালা থেকে আসে।
ভারত তার আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশীয়ভাবে পাম তেল চাষকে উৎসাহিত করার পর এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আর চুক্তিটি সাওয়িত কিনাবালু গ্রুপের বীজ সহায়ক সংস্থা দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল। যাদের বার্ষিক ১ কোটি পাম তেল বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষমতা রয়েছে। গ্রুপের বীজ ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার জুরাইনি বলেন, “৪ মিলিয়ন পাম তেল বীজ সরবরাহের জন্য পতঞ্জলি গ্রুপের সাথে আমাদের পাঁচ বছরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত ১.৫ মিলিয়ন বীজ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।” এছাড়া চুক্তিতে কোম্পানিটি বীজ সরবরাহ ছাড়াও, কোম্পানিটি পরামর্শমূলক পরিষেবা, কৃষিবিদদের স্থান পরিদর্শন এবং রোপিত বীজের পর্যবেক্ষণ প্রদান করে।
পতঞ্জলি গ্রুপ উত্তর-পূর্ব ভারতে একটি পাম তেল মিল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। যা ২০২৬ সালের মধ্যে চালু হতে পারে। এদিকে ভারতে বর্তমানে প্রায় ৩,৬৯,০০০ হেক্টর জমিতে পাম তেলের বীজ চাষ করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ১,৮০,০০০ হেক্টর জমির বীজ ফল ধরার পর্যায়ে রয়েছে। চাষের এলাকা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৩,৭৫,০০০ হেক্টরে পৌঁছেছে। সাথে আশা করা হচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে আরও ৮০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ হেক্টর জমি যুক্ত হবে। সরকার ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে পাম তেলের বীজ চাষ ১০ লক্ষ হেক্টরে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আরও ৬৬ লক্ষ হেক্টরে সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যার লক্ষ্য ২.৮ মিলিয়ন টন পাম তেল উৎপাদন করা।




