Article By – আস্তিক ঘোষ

পাঁচ বছরে এই প্রথম! বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! পদ্মার ইলিশ ছাড়াই দুর্গাপুজো, যেন ভাবতেও পারছেন না বাংলার মানুষ। পদ্মার ইলিশ এপার বাংলার মানুষের জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে একটি। বিশেষ করে দুর্গাপুজোর সময় বাংলার পাতে ইলিশের খোঁজ পড়ে। তবে এবার সে গুড়ে বালি! রপ্তানির চেয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের সঙ্গে সেদেশের ‘ ইলিশ কূটনীতি ‘ চালিয়ে যাওয়ার জন্য কলকাতা ভিত্তিক মাছ আমদানিকারক সমিতির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
“ইলিশ কূটনীতি” নীতির অধীনে, প্রতি বছর পূজার আগে এক মাসের জন্য পদ্মা থেকে ভারতে 1,000 টনেরও বেশি ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল ঢাকা। 2019 সাল থেকে এই নীতিই অনুসরণ করতেন ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত 9 অগাস্ট বাংলাদেশী মাছ রপ্তানিকারকদের সঙ্গে সমন্বয়কারী সংস্থা বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করে যে, আগের বছরের মতোই সীমিত ইলিশ ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হোক। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার।
ঢাকা থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ বছর ইলিশ রপ্তানি না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার। ‘পদ্মার ইলিশ’ ভারতে আসার সুযোগ এখন অতীত, জানান অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ। শুধু তাই নয়, মাছের ডিম পাড়ার জন্য পরের মাসে 22 দিন ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মাকসুদ বলেন, “আগে আমরা পেট্রাপোল ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় 5,000 টন ইলিশ আমদানি করতাম। বাংলাদেশ সরকার 2012 সালে এই বাণিজ্য নিষিদ্ধ করে। 2019 সালের সেপ্টেম্বর থেকে, সরকার শুধুমাত্র দুর্গাপূজার সময় ইলিশের ব্যবসার অনুমতি দেয় শুভেচ্ছা নিবেদনের জন্য”। গত সেপ্টেম্বরে ‘ইলিশ কূটনীতি’র আওতায় ভারতে 1300 টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের মতোই ছিল।” তবে দুর্গাপুজোয় মিলবে না পদ্মার ইলিশ।




