Article By – সুনন্দা সেন

আজ অর্থাৎ ১৭ সেপ্টেম্বর থিঙ্ক ট্যাঙ্ক GTRI জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত উচ্চ শুল্ক ওয়াশিংটনে দেশীয় পণ্যের মূল্য প্রতিযোগিতামূলক ভাবে হ্রাস হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি হ্রাস পাচ্ছে। এতে আরও বলা হয়েছে, আগস্ট মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের চালান ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে, যা জুলাই মাসের তুলনায় ১৬.৩% কম। যা ২০২৫ সালের এই পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র মাসিক পতন। কারণ মার্কিন শুল্ক মাসের শেষ নাগাদ দ্বিগুণ হয়ে ৫০%- এ পৌঁছেছে। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (GTRI)-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব বলেন, রপ্তানির পতন দ্রুত শুল্ক বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত।
তিনি বলেন যে সেপ্টেম্বরে ভারতীয় রপ্তানিতে আরও তীব্র পতন দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ এটিই প্রথম মাস যখন থেকে সম্পূর্ণরূপে ৫০% শুল্ক হারের মুখোমুখি হবে দেশ। তিনি আরও বলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ ও স্মার্টফোন সহ ভারতের রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শুল্কমুক্ত, যার অর্থ শুল্কমুক্ত পণ্যের উপর কার্যকর আঘাত শিরোনামের পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক গভীর। তিনি আরও বলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ ও স্মার্টফোন সহ ভারতের রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শুল্কমুক্ত। যার অর্থ হলো শুল্কমুক্ত পণ্যের উপর কার্যকর আঘাত শিরোনামের পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি।
তিনি বলেন, পোশাক, রত্ন ও অলংকার, চামড়া, চিংড়ি এবং কার্পেটের মতো শ্রম-নিবিড় খাতগুলি তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে। GTRI-এর অনুমান অনুসারে, যদি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত ৫০% শুল্ক অব্যাহত থাকে, তাহলে ভারত মার্কিন রপ্তানিতে ৩০-৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হারাতে পারে। আর এটি হয়ে উঠবে ভারতের জন্য একটি বড় ধাক্কা, কারণ ভারতের মোট পণ্য রপ্তানির প্রায় ২০% মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ। তাই তিনি পরামর্শ দেন যে সরকারের উচিত রপ্তানিকারকদের জন্য সহায়তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা। এছাড়া দ্রুত ত্রাণ না পেলে, দীর্ঘায়িত শুল্ক আরোপের ফলে চাকরির ক্ষেত্রেও ক্ষতি হতে পারে।




