Article By – আস্তিক ঘোষ

নতুন নাম জুড়তে চলেছে দেশের অ্যাভিয়েশন সেক্টরে। দেশের নতুন এয়ারলাইন শঙ্খ এয়ারকে তাদের কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দিল বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে উড়ান শুরু করার আগে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক DGC -এ থেকে অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে বিমান সংস্থাটির। এটি হবে উত্তরপ্রদেশের প্রথম বিমান সংস্থা, যার কেন্দ্র লখনউ এবং নয়ডায় থাকবে।
বিমান সংস্থাটির ওয়েবসাইট অনুসারে, এই বিমান সংস্থার লক্ষ্য হল দেশের প্রধান শহরগুলিকে সংযুক্ত করা। যে রুটে চাহিদা বেশি এবং বিকল্প কম সেদিকেই নজর থাকবে কোম্পানির। এই প্রসঙ্গে বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, নতুন বিমান সংস্থাটিকে ইতিমধ্যেই বিদেশী বিনিয়োগ সহ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়মগুলি অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম চালু করার জন্য দেওয়া NOC তিন বছরের জন্য বৈধ হবে।
বর্তমানে দেশের বৃহত্তম বিমান সংস্থা ইন্ডিগো। ভারতের অ্যাভিয়েশন মার্কেটে 63 শতাংশ শেয়ার রয়েছে এই বিমান সংস্থার। ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া টাটা গ্রুপের অংশ হয়ে উঠেছে। দ্রুত উন্নতি করছে এই বিমান সংস্থাও। নভেম্বরে ভিস্তারা এয়ার ইন্ডিয়ার অধীনে আসবে। অ্যাভিয়েশন কনসালটেন্সি ফার্ম CAPA ইন্ডিয়ার একটি রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের বাজার হল ভারত। চলতি অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল 6-8 শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যার ফলে বিমানের মাধ্যমে 161 থেকে 164 মিলিয়ন যাত্রী যাতায়াত করবে।
একইভাবে, আন্তর্জাতিক ট্রাফিক 9-11 শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। 2025 সালের মার্চের মধ্যে যাত্রী সংখ্যা পৌঁছাবে 75 থেকে 78 মিলিয়নে। তবে ভারতে এয়ারলাইন্স ব্যবসা খুব একটা সহজ নয়। গত এক দশকে বেশ কয়েকটি বড় এয়ারলাইন্স বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কিংফিশার এয়ারলাইন্স, জেট এয়ারওয়েজ এবং গো ফার্স্ট। অপরদিকে, অস্তিত্ব রক্ষা করতে হিমশিম খাচ্ছে স্পাইসজেট।




