Article By – সুনন্দা সেন

সেন্ট্রালের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতের সুগার ইন্ডাস্ট্রি বা চিনি শিল্প চলমান সুগার সেশন ২০২৫ সালে (SSY 2025)-এর জন্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য হ্রাসের সম্মুখীন হতে পারে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে সামগ্রিক উৎপাদন ২৭ মিলিয়ন মেট্রিক টনে নেমে আসবে। যা গত বছরের ৩১.৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন (MMT) থেকে অনেকটাই কম। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত চিনি উৎপাদন ১৯.৭ MMT হয়েছে, যা আগের সেশনের একই সময়ের তুলনায় ১২% হ্রাস প্রতিফলিত করে। এই মন্দার কারণ হল ইথানল উৎপাদনে উচ্চ হারে চিনি ব্যবহার, আখের প্রাপ্যতা হ্রাস এবং নিম্ন রিকোভারি লেবেল।
রাজ্যভিত্তিক (State-Wise) তথ্য অনুসারে, মহারাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রাজ্যটিতে চিনি উৎপাদন বার্ষিকভাবে ১৪% কমেছে। এছাড়ার কর্ণাটকে ১৩% এবং উত্তরপ্রদেশে ৮% উৎপাদন কমেছে। কর্ণাটকের আখের প্রাপ্যতা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে বার্ষিক ২২% হ্রাস পেয়েছে এবং মহারাষ্ট্রে আখের প্রাপ্যতা বার্ষিক ৭.৮% হ্রাস পেয়েছে। তবে উত্তরপ্রদেশে এই সেশনে ১৪% বৃদ্ধি পেয়ে তুলনামূলকভাবে স্টেবেল রয়েছে। আখের সরবরাহ কমে যাওয়ায় মিলে ক্রশিং বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। যার ফলে মিলও বন্ধ হয়ে গেছে। ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫-এ বন্ধ থাকা মিলের সংখ্যাছিল ২৩টি ছিল, যা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত বেড়ে ৫১টিতে দাঁড়িয়েছে। SSY25-এর মোট আখ ক্রশিং ২১৮ মিলিয়ন মেট্রিক টনে নেমে এসেছে। যা আগের সেশনের ২২৮ MMT থেকে ৪.৫% কম।
সাম্প্রতিক নীতিগত আপডেট সরকার ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বা FCI চালের দাম প্রত্যাহার করে, দাম ২২.৫ টাকা/কেজি নির্ধারণ করেছে। এদিকে উৎপাদন হ্রাসের সত্ত্বেও চিনির দাম স্টেবেল এবং লাভজনক রয়ে গেছে। উত্তরপ্রদেশে চিনির দাম প্রতি টনে ৪১,০০০ টাকার কাছাকাছি। যেখানে মহারাষ্ট্রে প্রতি টন ৩৭,৫০০ টাকার উপরে দাম লক্ষ্য করা হচ্ছে। এই অনুকূল মূল্যের স্তরগুলি ২০২৫ সালের চতুর্থ এবং ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে চিনির মিলগুলির লাভজনকতা বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারের ১ MMT চিনি রপ্তানি ডোমেস্টিক মার্কেট চিনির দামকে সমর্থন করতে পারে।




