মাইক্রোসফ্টের সার্ভারে ত্রুটির কারণে ভারত -সহ বিশ্বের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট (Flight) চলাচল ব্যাহত হয়েছে। অনেক ফ্লাইট একেবারেই টেক অফ করতে পারেনি। এই কারণে ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে এয়ারলাইন্সগুলোকে। বিমানবন্দরে যাত্রীদের এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে, যাত্রীদের তাদের ফ্লাইট (Flight) শিডিউল করতে এবং টাকা ফেরত পেতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, ভ্রমণ বিমা কাজে আসে।
কোনও কারণে ফ্লাইট (Flight) বাতিল বা বিলম্বিত হলে ভ্রমণ বিমা কাজে আসে। কারণ হতে পারে বৃষ্টি, ভূমিকম্প, কুয়াশা ইত্যাদি। এই পরিস্থিতিতে, বিমা সংস্থাগুলি ভ্রমণকারীদের হোটেলে থাকা থেকে শুরু করে ক্যাব এবং খাবারের সুবিধা প্রদান করে। তবে এমন পরিস্থিতিতে বিমান সংস্থাগুলি যাত্রীদের আবাসন, খাবার ইত্যাদি সুবিধাও দিয়ে থাকে। ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্সে প্রদত্ত সুবিধাগুলি এয়ারলাইনগুলির প্রদত্ত সুবিধাগুলির থেকে আলাদা৷
প্রতিটি এয়ারলাইন কোম্পানি ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশনের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে। ফ্লাইট বিলম্ব বা বাতিলের ক্ষেত্রে, ফ্লাইটে থাকা সমস্ত যাত্রীদের খাবারের ব্যবস্থা করা এবং তাদের বিশ্রামের জায়গা দেওয়ার দায়িত্ব এয়ারলাইন কোম্পানির উপর বর্তায়। কিন্তু সময়ে সময়ে এয়ারলাইন্স থেকে এসব সুবিধা না পাওয়া নিয়ে অভিযোগ পাওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভ্রমণ বিমা খুবই কাজে আসতে পারে।
ভারতের অভ্যন্তরে অভ্যন্তরীণ যাত্রার ক্ষেত্রে, ভ্রমণ বিমার খরচ যাত্রী প্রতি 100 থেকে 800 টাকা পর্যন্ত। এই খরচ একমুখী যাত্রার জন্য। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে, বিমার খরচ দেশ ভেদে পরিবর্তিত হয়। এই খরচ 5 হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আপনি যদি গার্হস্থ্য ভ্রমণ বিমা নেন, তাহলে আপনার খরচ হবে 200 টাকা।
Article By – আস্তিক ঘোষ






