Article By – আস্তিক ঘোষ

শুধু দেশেরই নয়, এশিয়ারও সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। মুকেশ আম্বানির পর আসে আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানির নাম। যদি প্রযুক্তি জগতের কথা ওঠে, তখন কিন্তু তালিকায় নাম থাকে না মুকেশ আম্বানি এবং গৌতম আদানির। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলির ব্যবসায়ীরা বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন টাকা উপার্জন করে।
সম্প্রতি দেশের শীর্ষ 10 কারিগরি বিলিয়নেয়ারদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। এই তালিকায় প্রথম নামটি হল এইচসিএল টেকনোলজিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিব নাদারের। দেশের প্রযুক্তি জগতের একটি বড় নাম শিব নাদার। তাঁর কোম্পানি এইচসিএল আজ বিশ্বের একটি সুপরিচিত কোম্পানি। আইটি কনসালটেন্ট থেকে এন্টারপ্রাইজ সলিউশন পর্যন্ত পরিষেবা প্রদান করে তাঁর কোম্পানি। ফোর্বস অনুসারে, শিব নাদারের মোট সম্পদ 34.7 বিলিয়ন ডলার, যার পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 2.91 লক্ষ কোটি টাকা।
দেশের টেক বিলিয়নেয়ারদের তালিকায় দ্বিতীয় নামটি উইপ্রোর প্রতিষ্ঠাতা আজিম প্রেমজির। আজিম প্রেমজি শুধু একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবেই নয়, অর্থ দান এবং অন্যান্য দাতব্য কাজের জন্যও তিনি সুপরিচিত। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে বিশ্বে একটি আলাদা পরিচিতি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশাল অবদান রেখেছেন আজিম প্রেমজি। আজিম প্রেমজির মোট সম্পত্তির পরিমাণ 11.8 বিলিয়ন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 1 লাখ কোটি টাকা।
দেশের বড় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নাম রয়েছে, ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এন. আর. নারায়ণ মূর্তির। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবে অনেক অবদান রেখেছেন নারায়ণ মূর্তি। ইনফোসিসকে বিশ্বব্যাপী আইটি কোম্পানি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাঁর কাজ তাঁকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। ব্যবসায় অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যও পরিচিত নারায়ণ মূর্তি। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ 4.4 বিলিয়ন ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 37 কোটি টাকা।
ব্যবসার জগতে খুব কমই রাধা ভেম্বুর নাম শোনা যায়। জোহো কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাধা ভেম্বু। রাধা ভেম্বু সফটওয়্যার ব্যবসা উদ্ভাবনের একটি সুপরিচিত নাম। জোহোর বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের চাহিদা সারা বিশ্বে। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ 3.3 বিলিয়ন ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 27.71 হাজার কোটি টাকা।





