Article By – সুনন্দা সেন

সেপ্টেম্বর মাস পড়তেই পূজোর মরশুম শুরু হয়ে যায়। গণেশ পুজোর হাত ধরে শুরু হওয়া উৎসব শেষ হয়। তারপর দূর্গাপূজো থেকে শুরু করে একাধিক পুজো – পার্বন কাটবে পরবর্তী আড়াই – তিন মাস। পার্বন কাটার পর নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস অব্দি দেশজুড়ে শুরু হবে বিয়ের মরশুম। যা চলবে পরের বছরের মার্চ মাস অব্দি। এই বিয়ের মরশুমে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার ব্যবসা হয় এবং বহু মানুষ সেই সময়ের আশায় বসে থাকেন। সদ্য প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, চলতি বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দেশে প্রায় ৩৫ লাখ বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। আর সকল বিয়েতে দুই পরিবার মিলে খরচ করতে পারে প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা।
পরিসংখ্যান বলছে প্রতিবছর ভারতে প্রায় ১ কোটি বিয়ে হয়। আর বিয়ে ও আনুষাঙ্গিক প্রয়োজন পূরণে একাধিক বড় থেকে ছোট ব্যবসা সক্রিয় হয়। আর বিয়ে নির্ভর ব্যবসায়িক ক্ষেত্রটি ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম বাজার হয়ে উঠেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের অনুমান এই বছরের বিয়ের মরশুমে ১০ লক্ষ ৮৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। পাশাপাশি কোটি কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। কারণ প্রতি বছরই এই সময়ে সোনার বাজার, খুচরো নানা সামগ্রী, আতিথেয়তা, অন্যান্য গয়না এবং অটোমোবাইল খাতে চাহিদা ও বিক্রি বেড়ে যায়।
কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স বা CAIT-এর সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দেশে ৪২ লক্ষেরও বেশি বিয়ে হয়েছে। আর প্রত্যেক পাত্র – পাত্রীর পরিবার মিলে প্রায় ৫.৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এই বছরের শেষে ৩৫ লাখ বিয়ের জন্যে আরও ৪ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হবে। পাশাপাশি প্রভুদাস লীলাধরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্র সরকার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সাধারণ বাজেটে সোনার আমদানি শুল্ক ১৫% থেকে কমিয়ে ৬% করায় জাতীয় পর্যায়ে সোনার চাহিদা বেড়েছে। আগামী বিয়ের মরসুমে তা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।




