Article By – আস্তিক ঘোষ

মার্কিন কৌঁসুলিরা ভারতের অন্যতম ব্যবসায়ী গৌতম আদানিকে 250 মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঘুষের মামলায় অভিযুক্ত করেছে। এটি 2018 সালের হুয়াওয়ে কেসের কথা মনে করিয়ে দেয়। এরপর চিনের এক CEO -র গ্রেপ্তারে চিনে ঝড় ওঠে। গৌতম আদানিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়। এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।
ফলে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের দ্বিধায় পড়বেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তার দলে চিন বিরোধী লোক রয়েছে যারা ভারতের সাথে আরও মজবুত সম্পর্ক চায়। মামলাটি মার্কিন আইনের বিস্তৃত নাগালেরও চিত্রিত করে, যা বিশ্বজুড়ে বন্ধুদেশ এবং শত্রুদেশ উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে।
ভারতের জন্য, এই বিষয়টি তার দ্বৈত কৌশলের অংশ। আমেরিকার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে। রাশিয়া ও চিনের মতো দেশের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। যদিও আদানির বিরুদ্ধে মামলা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করা হচ্ছে। আগত ট্রাম্প প্রশাসন মামলা প্রত্যাহার না করলে, এটি মার্কিন-ভারত সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বিশ্বাসকে প্রভাবিত করবে।
পরবর্তী মার্কিন প্রশাসন ভারতের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ট্রাম্পের দলও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। মোদী নিজেকে আদানির থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।




