Article By – আস্তিক ঘোষ

কোনো দুর্দান্ত সুযোগ পেলে ভারতীয়রা সচরাচর সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন না। আড়াই কোটি টাকার সম্পত্তি কেনার জন্য গোল্ডেন ভিসার প্রস্তাব দিচ্ছে গ্রীস। তাতেও সম্পত্তি কেনার জন্য ছুটছেন ভারতীয়রা। গত জুলাই এবং অগাস্টে, গ্রীসে পূর্বের তুলনায় 37 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতীয়দের সম্পত্তি ক্রয়। এবার এই নিয়ম পরিবর্তন হতে চলেছে, তাই যে কোনও মূল্যে এর সুবিধা নিতে চান ভারতীয় ক্রেতারা।
2013 সালে গ্রীস গোল্ডেন ভিসা কার্যক্রম শুরু করে। এই নিয়ম অনুসারে, রিয়েল এস্টেট, সরকারী বন্ড বা অন্যান্য অনুমোদিত উপকরণগুলিতে কমপক্ষে 250,000 ইউরো অর্থাৎ প্রায় 2.5 কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, এমন যে কোনও বিদেশীকে বাসস্থান বা নাগরিকত্ব প্রদান করবে গ্রীক সরকার। শুধু গ্রীস নয়, কিছু ন্যূনতম পরিমাণ বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকার মতো দেশগুলিও।
ইউরোপের দেশ গ্রীসে বাড়ি ভাড়া থেকে প্রচুর আয় হয়। এর পাশাপাশি সেখানকার স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে লাভজনক চুক্তি দেখে সেখানকার মানুষ। শুধু তাই নয়, ইউরোপে ব্যবসা স্থাপনের উপযুক্ত জায়গা থাকার কারণে ইউরোপে দ্বিতীয় বাড়ি খুঁজতে শুরু করেছেন ধনী ভারতীয়রা।
একটি প্রতিবেদন অনুসারে, জুলাই থেকে অগাস্টের মধ্যে গ্রীসে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের ক্রয় করা সম্পত্তির পরিমাণ 37 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেদেশের গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রামে পরিবর্তনের আগে স্থায়ী বসবাসের জায়গা কেনার জন্য উদ্বিগ্ন ভারতীয় ক্রেতারা। সম্পত্তি উন্নয়ন সংস্থা লেপ্টোস এস্টেটস প্রকাশ করেছে, সংশোধনীর আগে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা কমপক্ষে 250,000 ইউরো (প্রায় 2.5 কোটি টাকা) বিনিয়োগ করলে বিদেশীদের জন্য ইউরোপে স্থায়ী বসবাস নিশ্চিত করা হত। এখন এথেন্স, থেসালোনিকি, মাইকোনোস এবং আন্টালিয়ার মতো শহরগুলিতে ন্যূনতম 800,000 ইউরো বিনিয়োগ করলে তবেই সেই সুবিধা মিলবে৷ এই নীতির মূল লক্ষ্য হল, অতিরিক্ত চাহিদা থাকায় কিছু এলাকায় রিয়েল এস্টেটের উপর চাপ কমিয়ে গ্রীক নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের এবং মানসম্পন্ন আবাসন নিশ্চিত করা।




