Article By – সুনন্দা সেন

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সরকারি তথ্যানুযায়ী, এক বছরের আগের তুলনায় বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি কমার পাশাপাশি এক মাসের রপ্তানিতে বড় পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর এই রপ্তানি হ্রাসের পেছনের কারণ প্রতিবেশী দেশের মধ্যে হয়ে যাওয়া প্রতিবাদ ও সহিংসতা। যার জন্য ভারতের কোনো প্রকার বাণিজ্যিক ক্ষতি হবে না বলেই জানা যাচ্ছে। এদিকে রেটিং এজেন্সি ক্রিসিল (Crisil) বলেছে যে বাংলাদেশের অগ্রগতি এখনও পর্যন্ত ভারতের বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারেনি।
প্রকাশিত সরকারি তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে ২৮% হ্রাস পেয়ে ৬৮১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা গত বছর একই সময়ে ৯৪৩ মিলিয়ন ডলার ছিল। বাংলাদেশে ভারতের প্রাথমিক রপ্তানি পণ্য তুলা। বাণিজ্য তথ্য দেখায় যে বাংলাদেশে তুলা রপ্তানি গত বছর আগস্ট মাসে ১.১১ বিলিয়ন হয়েছিল। যা চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রায় ১০% হ্রাস পেয়ে ১ বিলিয়ন হয়েছে। যা এসেছে বিক্ষোভের পর বাংলাদেশের রপ্তানি টেক্সটাইল এবং ধীরগতির পোশাকের অর্ডারের জন্য।
রেটিং সংস্থা জানিয়েছে যে, তুলা রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণে কিছু ভারতীয় টেক্সটাইল কোম্পানি প্রভাবিত হলেও, তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না ভারতের বাণিজ্যের বাজারে। কারণ প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য তুলনামূলক কম হয়। গত বছরের বানিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মোট রপ্তানি ২.৫% এবং মোট আমদানির মাত্র ০.৩%- এর দায়ি বাংলাদেশ। তবে রেটিং এজেন্সি ক্রিসিল আশঙ্কা করেছে যে দীর্ঘায়িত বাণিজ্যিক ব্যাঘাত কিছু রপ্তানিমুখী ইউনিটের রাজস্ব প্রোফাইল এবং কার্যকরী মূলধন চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে।




