Article By – সুনন্দা সেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ৬০টি অর্থনীতির উপর নতুন ‘ফোর্সড লেবার ট্যারিফ (Forced Labour Tariffs)’ চালু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US)-এর দাবি, যেসব দেশ জোরপূর্বক শ্রম বা ফোর্সড লেবারে তৈরি পণ্য ঠেকাতে পর্যাপ্ত আইন বা কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি, তাদের আমদানির উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। আর এই নতুন ব্যবস্থা ২৪ জুলাই, ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। আর নতুন ব্যবস্থায় কিছু দেশ ১০% এবং কিছু দেশ ১২.৫% শুল্ক দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে। আর দুই নতুন শুল্ক প্রদানের তালিকায় দেশগুলি হল–
- ১০% শুল্ক (Lower Rate) প্রদানকারী: এই হার প্রযোজ্য হবে সেই সব দেশের ক্ষেত্রে যারা US-এর এই হার প্রযোজ্য হবে সেইসব দেশের তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী আইন বা পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত সাম্প্রতিক আইনগত ও নীতিগত পরিবর্তনের ফলে শুল্ক ১২.৫% থেকে কমে ১০% শ্রেণিতে এসেছে। এছাড়াও যুক্তরাজ্য (UK), কানাডা, আর্জেন্টিনা সহ কয়েকটি দেশ এই শ্রেণিতে রয়েছে।
- ১২.৫% শুল্ক প্রদানকারী (Higher Rate): যেসব দেশের বিরুদ্ধে US-এর অভিযোগ তারা ফোর্সড লেবার রোধে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি, তাদের উপর ১২.৫% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং আরও বহু অর্থনীতি। মোট প্রায় ৩৭টি দেশ এই উচ্চ হারের শুল্কের আওতায় পড়েছে।
নতুন শুল্ক ব্যবস্থা ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ ভারতের জন্য ১০% শুল্ক নির্ধারিত হলেও চীনসহ বেশ কিছু দেশ ১২.৫% শুল্কের আওতায় পড়ছে। তবে ভারতের শুল্ক হার কমায় ভারতীয় রপ্তানিকারকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেতে পারে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, গার্মেন্ট, লেদার প্রোডাক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টের রপ্তানিতে ভারতের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে নতুন শুল্ক ব্যবস্থা বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (Global Supply Chain) এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।




