Article By – আস্তিক ঘোষ

পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া এবং নীরব মোদী সহ তিনটি মামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় 16,400 কোটি টাকার সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সূত্রের খবর, এজেন্সির মূল লক্ষ্য হল প্রতারণার শিকার হয়েছে এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ত্রাণ দেওয়া। সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা তদন্তের গতি বাড়াতে চান। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। ইডি আধিকারিকরা এমন ঘটনাগুলিও চিহ্নিত করছেন যেখানে ক্ষতিগ্রস্থদের সম্পত্তি ফেরত দেওয়া করা যেতে পারে। বিশেষ আদালত থেকে আদেশ পাওয়ার পর সংস্থাটি এখনও পর্যন্ত প্রায় 16,400 কোটি টাকার সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছে। এগুলির বেশিরভাগই তিনটি হাই প্রোফাইল মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
পলাতক মদ ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া জড়িত একটি মানি লন্ডারিং মামলায় সংস্থাটি SBI-এর নেতৃত্বাধীন ব্যাঙ্কগুলির কনসোর্টিয়ামে প্রায় 14,131 কোটি মূল্যের সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছে। আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যুক্ত অন্য পলাতক হীরা ব্যবসায়ী নীরব মোদীর ক্ষেত্রে, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এর নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামে 1,052 কোটি টাকা ফেরত দিয়েছে ইডি। ন্যাশনাল স্পট এক্সচেঞ্জ লিমিটেডে প্রতারণার শিকার 8,433 জন সরকারী বিনিয়োগকারীকে ক্ষতিপূরণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিযুক্ত কমিটির কাছে প্রায় 1,220 কোটি টাকার সম্পদ ফেরত দেওয়া হয়েছে। মালিয়া এবং মোদী সংক্রান্ত মামলায়, ইডি সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছে আদালতে অভিযোগ গঠনের আগেই।
পিএমএলএর ধারা 8(7) এর অধীনে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট আদালত। মালিয়া এবং মোদী উভয়কেই পলাতক ঘোষণা করা হয়েছিল। পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কগুলির তাদের কাছে অর্থ পাওনা ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই পুরোটাই জনস্বার্থের বিষয় ছিল। সূত্র অনুসারে, গত মাসে ভুবনেশ্বরে সুপ্রিম কোর্টের তৈরি কালো টাকা সংক্রান্ত বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান বিচারপতি অরিজিৎ পাসায়াতের সভাপতিত্বে বৈঠকে সম্পদ ফেরতের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কীভাবে মালিয়া এবং মোদী মামলায় সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছে ইডি, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বিদেশে জমা কালো টাকা সফলভাবে ফিরিয়ে আনার জন্য একই পদ্ধতি অবলম্বন করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ওই বৈঠকে।




