Article By – সুনন্দা সেন

১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্ত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা রপ্তানিকারকদের বিশেষ করে মাইক্রো, স্মল এবং মিডিয়াম উদ্দ্যোগগুলিতে (MSME) সমর্থন করার জন্য ৪৫,০৬০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর দ্বারা যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US) কর্তৃক দ্বারা আরোপিত শুল্কের কারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে তাদের জন্য ভালো। US প্রেসিডেন্ট ভারতীয় বেশ কয়েকটি পণ্যের উপর ৫০% শুল্ক আরোপ করেছে। এদিকে কেবিনেট জানাচ্ছে যে প্রকল্পের প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে বহু প্রতিক্ষীত রপ্তানি উন্নয়ন মিশন। আর এটিতে এক্সপেন্স ব্যয় বাবদ ধরা হয়েছে ২৫,০৬০ কোটি টাকা এবং রপ্তানিকারকদের জন্য ক্রেডিট গ্যারেন্টি স্কিম বাবদ ২০,০০০ কোটি টাকা।
এক্সপোর্ট (রপ্তানি)-ওরিয়েন্টেড ইন্ডাস্ট্রিগুলি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৪ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি জনগণের জন্য কর্মসংস্থান জেনারেট করে। সাথে ভারতের মোট রপ্তানিতে MSME-গুলি ৪৫% অবদান রাখে। আর এই বিষয়ের ঘোষণা আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ, দ্বি-অঙ্কের শুল্কের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ খাতগুলির অন্ত অর্ধ ওজন রপ্তানি উন্নয়ন কাউন্সিলের প্রধানদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের এক সপ্তাহ পরে। পাশাপাশি ১১ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে উভয় পক্ষই একটি ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রায় কাছাকাছি। যা ইঙ্গিত দেয় যে আরেকটি দফা আলোচনার প্রয়োজন নাও হতে পারে।
চলতি অর্থবছরের জন্য প্রাথমিক ভাবে ২,২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষিত EPM (এন্টারপ্রাইজ পারফর্ম্যান্স ম্যানেজমেন্ট) এখন ২০৩০-২০৩১ অর্থবছর পর্যন্ত বর্ধিত ব্যয়ের সাথে চলবে। এর লক্ষ্য ভারতের রপ্তানি সংক্রান্ত প্রতিযোগিতাগুলি জোরদার করা। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো রপ্তানিকারক এবং টেক্সটাইল, লেদার, জেমস, জুয়েলার, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টসহ লেবার ইনটেনসিভ সেক্টরের জন্য। এদিকে জানা যাচ্ছে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটি দুটো সাব-স্কিমের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। যা বাণিজ্য অর্থ সহায়তা প্রদানের জন্য ১০,৪০১ কোটি টাকা বরাদ্দের সাথে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার প্রচারের জন্য ১৪,৬৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দের সাথে নিরিয়াতো দিশা।




