Article By – সুনন্দা সেন

প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি অর্থবছর (২০২৪-২৫ সাল)-এর এপ্রিল -ডিসেম্বর মাসে ভারতের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত (Agriculture and Processed) খাদ্যপণ্যের রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১% বৃদ্ধি পেয়ে ১৭.৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বাণিজ্যিক পরিচালনা ও পরিসংখ্যান অধিদপ্তর বা DGCIS-এর সংকলিত তথ্য থেকে জানা যায় যে, ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে চাল রপ্তানি ১৯%-এরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৭২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার ছিল। রপ্তানিকারকরা আশাবাদী যে শক্তিশালী বিশ্বব্যাপী চাহিদার কারণে ২০২৪-২৫ সালের জন্য চাল রপ্তানি গতিতে বৃদ্ধি পাবে।
আগের অর্থবছরে (২০২৩-২৪ সাল) ভারত ১০.৪১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চাল রপ্তানি করেছিল। যা তার পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৬.৫% ছিল। কারণ ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশীয় বাজারে খাদ্য পণ্যের প্রাপ্যতা বাড়াতে রপ্তানির উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়েছিল। তবে নিষেধাজ্ঞা তোলার পরে রপ্তানির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া চলতি অর্থবছরের এপ্রিল-ডিসেম্বর মাসে মহিষের মাংস (buffalo meat), দুগ্ধজাত পণ্য এবং হাঁস ও মুরগির রপ্তানি ১০%-এরও বেশি বেড়ে ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ছিল। একই সময়ে তাজা ফল ও সবজির চালান ৫%-এরও বেশি বেড়ে ২.৬৫ বিলিয়ন ডলারে এবং শস্য প্রস্তুতি ১০%-এরও বেশি বেড়ে ২.০৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
কেন্দ্রের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা APEDA অনুসারে, গত দশকে ভারত কলা রপ্তানিতে দশগুণ বৃদ্ধি দেখেছে। আর সমুদ্র পথে নেদারল্যান্ডসে সফল পরীক্ষমূলক চালানের পর আগামী পাঁচ বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের কলা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এছাড়াও জানা যাচ্ছে যে সমুদ্র পথ খুলে গেছে দেশের অন্যতম রপ্তানি বাজার হয়ে উঠতে পারে রাশিয়া। APEDA ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ২৫.৫৬ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। উল্লেখিত রপ্তানির পণ্যগুলি বাদে রপ্তানির জন্য অন্যান্য কৃষি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তামাক, কফি, চা এবং অন্যদিকে রয়েছে অর্গানিক ফুড।




