স্বাস্থ্য বীমাতে বড় বাজি ধরতে উঠেপড়ে লেগেছে দেশের বৃহত্তম বিমা সংস্থা LIC। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য বীমা খাতে কাজ করা যে কোনও বড় সংস্থা কিনতে নিতে পারে এই সংস্থা। দেশজুড়ে লাইফ ইন্সুরেন্স বিজনেস দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে চাইছে এলআইসি। দেশের শীর্ষ পাঁচটি স্বাস্থ্য বীমা কোম্পানির যেকোনো একটিকে অধিগ্রহণ করতে চলেছে এই সংস্থা।

LIC
বর্তমানে এলআইসি-এর সম্পত্তি 51 লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। দেশের জীবন বীমা বাজারে 61.5 শতাংশ অংশ রয়েছে সংস্থাটির। আপাতত কম্পোজিট লাইসেন্সের অপেক্ষায় এই কোম্পানি। হেলথ ইন্সুরেন্স-এর আওতায় একমাত্র লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলি দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা দিতে সক্ষম। বীমা কোম্পানির ব্যয় এবং কমপ্লায়েন্সের বোঝা কমাতে কম্পোজিট বীমা লাইসেন্স চালু করার পরামর্শ দিয়েছিল সংসদের একটি কমিটি। তাই ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটর IRDAI একটি কম্পোজিট লাইসেন্সের পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে, বীমা কোম্পানিগুলো লাইফ এবং নন-লাইফ পলিসি বিক্রি করতে পারবে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই লাইফ ইন্সিওরেন্স বিজনেসে নামতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে এলআইসি।
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কম্পোজিট লাইসেন্স পেতে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে। এর পরে একটি প্রতিষ্ঠিত লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি কিনে ব্যবসা বৃদ্ধি করতে পারে এলআইসি। ইতিমধ্যেই সংস্থাটি সম্প্রতি তাদের লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্ল্যান IRDAI-তে জমা করেছে৷ তবে কোনো সরকারি কোনো বীমা কোম্পানির সঙ্গে একত্রিত হওয়ার প্রস্তাব আসেনি LIC-র কাছে।

বর্তমানে দেশের শীর্ষ পাঁচটি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মধ্যে রয়েছে নীভা বুপা হেলথ ইন্স্যুরেন্স, আদিত্য বিড়লা হেলথ ইন্স্যুরেন্স, কেয়ার হেলথ ইন্স্যুরেন্স, মনিপাল-সিগনা হেলথ ইন্স্যুরেন্স এবং স্টার হেলথ অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। এলআইসি যে কোম্পানিই কিনুক না কেন, সেটি হবে দেশের প্রথম সরকারি স্বতন্ত্র লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। এক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা হওয়ার কারণে এলআইসি-কে IRDAI এবং অর্থ মন্ত্রকের অনুমোদন নিতে হবে৷
Article By – আস্তিক ঘোষ



