Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহ চলতি অর্থবছরে শক্তিশালী বৃদ্ধি দেখিয়েছে। সরকার দ্বারা প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের এই পর্যন্ত নেট প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহ ২২.৮ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৭.২% বেশি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হলো কর্পোরেট কর। গত বছরের তুলনায় কর্পোরেট কর সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্পোরেট সংস্থাগুলোর লাভজনকতা এবং তাদের এডভান্স ট্যাক্স প্রদানের সময়মতো বৃদ্ধি এই বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
অন্যদিকে ব্যক্তিগত আয়করসহ নন-কর্পোরেট করের সংগ্রহও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, প্রায় ২.৭%। মোট প্রত্যক্ষ করের সংগ্রহ প্রায় ২৭.১৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, অর্থাৎ ফেরত বা রিফান্ড দেওয়ার আগের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪.৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কর রিফান্ড প্রায় ৫.৯% কমে যাওয়ার নেট সংগ্রহ তুলনামূলকভাবে বেশি হয়েছে। সরকারের এডভান্স ট্যাক্স সংগ্রহ ও বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্পোরেট এডভান্স ট্যাক্স প্রায় ৯.৫% বেড়েছে। যা সংস্থাগুলোর কর প্রদানের প্রক্রিয়ার স্থিতিশীলতার প্রতিফলন।
এছাড়াও, ভারতের শেয়ারবাজারের ক্রিয়াকলাপকে নির্দেশ করে নিরাপদ নিরাপত্তা লেনদেন কর (STT) প্রায় ৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারা দেখায় যে, আর্থিক বাজারও গতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এই ধারা বজায় থাকে, তবে সরকার ২৪.২ লক্ষ কোটি টাকার পুনঃসমন্বিত সরাসরি কর লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে। এই বৃদ্ধির ফলে সরকারের রাজস্ব অবস্থাও শক্তিশালী হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সমর্থন করা সহজ হবে। সরাসরি করের এই উন্নতি ভারতের অর্থনীতিতে কর অনুগততা, কর ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা এবং কর্পোরেট লাভজনকতার উপর ইতিবাচক প্রভাবের প্রতিফলন করছে।




