Article By – সুনন্দা সেন

আজ অর্থাৎ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ (শুক্রবার) অর্থ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে (২০২৫ অর্থবছরে) ভারতের সি-ফুড ইন্ডাস্ট্রির রপ্তানি এই পর্যন্ত ৬০,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। যে কারণে এই খাতের বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগীতামূলক বৃদ্ধির জন্য অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব যুক্ত করা হয়েছে। আর সম্পূর্ণ বিষয়টি ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট ঘোষণার আগে প্রকাশ পেয়েছে। যা ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ প্রকাশ পাবে বলে প্রস্তুতি নেওয়া চলছে, মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে ফ্রজেন চিংড়ি (Frozen Shrimp) মোট সি-ফুড রপ্তানির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী। তাই তা স্টার পারফর্মার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
প্রধান রপ্তানি বাজারে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও ভারত গত অর্থবছরে ১.৭৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন সি-ফুড রপ্তানি করেছে। যার মূল্য ৬০,৫২৩.৮৯ কোটি টাকা। এটি তার পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২.৬৭% বৃদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করে। গত অর্থবছরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের শীর্ষ আমদানিকারক হিসেবে রয়েছে। ভারতের মোট রপ্তানি মূল্যের ৩৪.৫৩% বা ২.৫৫ বিলিয়ন ডলার। ফ্রজেন চিংড়ি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রণ, যা ওই দেশের রপ্তানির ৯১.৯%। আর চীন ১.৩৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৪৫১,০০ মেট্রিক টন আমদানি করে দ্বিতীয় শীর্ষ আমদানিকারক হয়ে উঠেছে। জাপান রয়েছে তৃতীয় স্থানে।
তারপরে রয়েছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, কানাডা, স্পেন, বেলজিয়াম, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইতালি। মৎস্য শিল্পকে সাহায্য করার জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার বেশ কয়েকটি উদ্দ্যোগ নিয়েছে। ভারতের সি-ফুড রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সরকার চিংড়ি এবং মাছের খাদ্য উৎপাদনের জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের উপর বেসিক কাস্টমস শুল্ক (ডিউটি) বা BCD মাত্র ৫%-এ কমিয়ে আনার প্রস্তাব করেছে। এই পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ব্রুড স্টক, পলিচেই ওয়ার্ম এবং বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের হ্রাস। এর সাথে চিংড়ি এবং মাছের খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত কয়েকটি উপকরণের উপর শুল্ক ছাড় প্রযোজ্য হবে।




