Article By – সুনন্দা সেন

জানুয়ারি, ২০২৫-এ খুচরা মূল্যস্ফীতি পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ৪.৩১%-এ নেমে এসেছে। কিন্তু ফলের দাম কমে যাওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, জানুয়ারিতে ভারতের ফলের (Fruit) মূল্যস্ফীতি দশকের সর্বোচ্চ ১২.২%-এ পৌঁছেছে। যা তার আগের মাসে ৮.৬% ছিল। বিশেষজ্ঞরা এই বৃদ্ধির জন্য ক্রমবর্ধমান চাহিদা, উচ্চ আমদানি, দুর্বল রুপির পাশাপাশি নিম্ন ভিত্তিকে দায়ী করছেন। ইন্ডিয়া রেটিংস অ্যান্ড রিসার্চের সিনিয়র বিশ্লেষক পারস জাসরাই বলেন, এর পেছনে দুর্বল রুপিও থাকতে পারে। কারণ বেশির ভাগ বিদেশী ফল (exotic fruits) আমদানি করা হয়।
এছাড়া নারকেল, আনারস, আঙ্গুর এবং অন্যান্য তাজা ফল (Fresh Fruits) এই বৃদ্ধির আয় এক সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। জানুয়ারিতে নারকেলের মূল্যস্ফীতি সাতবছরের সর্বোচ্চ ৩৮.৭%-এ পৌঁছেছে। যেখানে আনারসের দাম আগের বছরের তুলনায় ২৩.৬% বেড়েছে। আঙ্গুর এবং অন্যান্য তাজা ফলের দাম সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারিতে অন্যান্য ফলের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৮.৯%-এ দাঁড়িয়েছে। যা আগের মাসে ১০% ছিল। যেখানে আঙ্গুরের মূল্যস্ফীতি ১৬.১%-এ দাঁড়িয়েছে। সামগ্রিক ফলের মূল্যস্ফীতির মধ্যে আঙ্গুর এবং তাজা ফলের অংশ ৯.৪%। যেখানে নারিকেলের অংশ ৯.১%। মোট মূল্যস্ফীতির ঝুড়িতে ফলের অংশ ২.৯%।
এই পণ্যগুলির ক্রমবর্ধমান আমদানির ফলে বিদেশী ফলের চাহিদাও দৃশ্যমান। বছরের প্রথম আট মাসে ম্যন্ডারিন আমদানি ৩৩% বেড়েছে। যেখানে ক্র্যানবেরি আমদানি ১৫৯% বেড়েছে। কিউই ফলের আমদানি ২৫% বেড়ে ৫১.৭ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা আগের অর্থবছরে (এপ্রিল-নভেম্বর) ৪১.৪ মিলিয়ন ডলার ছিল। ডালিমও (Pomegranates) একটি চাহিদাপূর্ণ পণ্য ছিল কারণ আমদানি ৪৭% বেড়ে ১০.৭ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই বৃদ্ধি অ্যাভোকাডোর মতো পণ্যগুলিতেও দৃশ্যমান। যেখানে আমদানি ২০২৩ সালের এপ্রিল-নভেম্বর মাসে ৭.৬ মিলিয়ন ডলার থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১৪.৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।




