buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Inflation

উৎপাদিত পণ্যের দাম বৃদ্ধিই প্রধান কারণ; জানুয়ারিতে ভারতের পাইকারি মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১.৮১%-এ দাঁড়িয়েছে

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

দেশে পাইকারি মূল্যসূচক বা WPI ভিত্তিক মূল্যস্থীতি জানুয়ারি মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৮১%-এ। আগের মাসের তুলনায় এই বৃদ্ধি মূলত উৎপাদিত বা ম্যানুফেকচার্ড পণ্যের দাম বাড়ার ফলেই হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের Ministry of Commerce and Industry। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রস্তুত পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক পাইকারি মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মেটাল প্রোডাক্ট, কেমিক্যাল, মেশিনারি এবং কিছু ভোক্তা শিল্পপণ্যের দাম বাড়ায় এই সূচক উপরের দিকে উঠেছে। 

11

অন্যদিকে খাদ্যদ্রব্যের দামে বড় উত্থান না থাকলেও শিল্পপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিই প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পাইকারি মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি মানে উৎপাদন পর্যায়ে খরচ বাড়ছে। এই খরচ যদি দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য পণ্যের দাম ধীরে ধীরে বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। মূল্যস্ফীতি এখনও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত স্তরেই রয়েছে এবং তা হঠাৎ খুব বেশি বৃদ্ধি পায়নি। 
এছাড়া শিল্পোৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং চাহিদা পুনরুদ্ধারের লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। ফলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই মাঝারি মাত্রার মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির স্বাভাবিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিতও হতে পারে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী মাসগুলিতে কাঁচামালের আন্তর্জাতিক দাম, জ্বালানির মূল্য এবং মুদ্রার ওঠানামা— এই তিনটি বিষয় পাইকারি মূল্যস্ফীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে। যদি বৈশ্বিক কমোডিটি দাম আবার বাড়ে, তাহলে WPI আরও বাড়তে পারে। কিন্তু দাম স্থিতিশীল থাকলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেই থাকতে পারে।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading