Article By – সুনন্দা সেন

গত মাসে (মার্চ,২০২৫) এনার্জি, ব্যবহৃত গাড়ি এবং হোটেল রুমের দাম কমে যাওয়ায় সম্ভবত মুদ্রাস্ফীতি কমেছে। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবশিষ্ট শুল্ক শীঘ্রই দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। ফ্যাক্টসেট কর্তৃক সংকলিত অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস অনুসারে, আশা করা হচ্ছে শ্রম বিভাগের রির্পোটে বলা হবে যে মার্চ মাসে ভোক্তা মূল্য সম্ভবত এক বছর আগের তুলনায় ২.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। যা ফেব্রুয়ারির বার্ষিক বৃদ্ধির ২.৮% থেকে কম হবে। এছাড়া অস্থির খাদ্য এবং জ্বালানি বিভাগ বাদ দিলে দাম ৩% বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা ফেব্রুয়ারি মাসের ৩.১% থেকে কম।
যদি অনুমানিত পরিসংখ্যানগুলি সঠিক হয়, তাহলে বোঝা যাবে যে শীতকালে উচ্চতর থাকার পর মুদ্রাস্ফীতি আবার ঠান্ডা হতে শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারিতে হ্রাস পাওয়ার আগে পাঁচ মাস ধরে মূল মুদ্রাস্ফীতি ৩.৩%-এ স্থির ছিল। এটির আপাত দৃষ্টিতে কম হলেও মুদ্রাস্ফীতি ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রাস্ফীতি-প্রতিরোধীদের দ্বারা নির্ধারিত ২% লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়ে গেছে। পাশাপশি মাসিক ভিত্তিতে মার্চ মাসে প্রকৃত মূল্যের ০.৩% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আর যদি এই গতিতে মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তাহলে ফেডের লক্ষ্যমাত্রা সহজেই ছাড়িয়ে যাবে। অন্যদিকে মার্চ মাসে সামগ্রিক মূল্য মাত্র ০.১% বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা করা ৬০টি দেশের উপর ব্যাপক শুল্ক আরোপের ফলে বেশিরভাগ অর্থনীতিবিদ এই বছর উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। যারপর ৯ এপ্রিল,২০২৫ ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য এই শুল্ক স্থগিত করেছেন।তবে ১০% সার্বজনীন শুল্ক বহাল রয়েছে। পাশাপাশি কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আসা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি এবং অনেক পণ্যের উপর ২৫% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। চীনের উপর বিশাল শুল্ক আরোপের ফলে ভোক্তারা সম্ভবত কিছু দাম বৃদ্ধি দেখতে পাবেন। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর চীন থেকে ৬০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের আইফোন এবং অন্যান্য মোবাইল ফোন আমদানি করে। সেইসাথে বিপুল পরিমাণে পোশাক, জুতা এবং খেলনাও আমদানি করে।




