Article By – সুনন্দা সেন

শুক্রবার (১৩ফেব্রুয়ারি,২০২৫) প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুসারে, ভারতের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি বার্ষিক ভিত্তি জানুয়ারিতে, ২০২৫-এ ২.৩১%-এ নেমে এসেছে। যা ডিসেম্বর, ২০২৪-এ ২.৩৭% ছিল। জানুয়ারিতে প্রাথমিক পণ্যের মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরের ৬.০২% থেকে কমে ৪.৬৯%-এ দাঁড়িয়েছে। এদিকে জ্বালানি (Fuel) ও বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ২.৭৮% কমেছে। যেখানে ডিসেম্বরে এটি ৩.৭৯% কমেছিল। তবে গত মাসে উৎপাদিত পণ্যের দাম ২.৫১% বেড়েছে, যা ডিসেম্বরে ২.১৪% ছিল। পাইকারি খাদ্য মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরে ৮.৮৯% থেকে কমে গত মাসে ৭.৪৭% হয়েছে।
বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতির ইতিবাচক হার মূলত খাদ্যপণ্য, অন্যান্য উৎপাদন, খাদ্যবহির্ভুত পণ্য এবং বস্ত্র ইত্যাদির দাম বৃদ্ধির কারণে। জানুয়ারিতে ভারতের খুচরা মূল্যস্ফীতি পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, খাদ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে। বার্ষিক খুচরা (রিটেল) মূল্যস্ফীতি ৪.৩%-এ রেকর্ড করা হয়েছে। যা অর্থনীতিবিদদের অনুমানিত ৪.৬০% এবং আগের মাসের ৫.২২% থেকে কমে। ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নভেম্বরের ৮.৩৯% থেকে কমে ৬.০২% হয়েছে।
রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (RBI) চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৪.৮% হবে বলে আশা করছে এবং আগামী অর্থবছরে এটি ৪.২%-এ নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি ৪%-এ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। খাদ্য ও জ্বালানির (Food and energy) মতো অস্থির পণ্য (Volatile Items) বাদ দিয়ে মূল মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারিতে ৩.৭%-এ উন্নীত হয়েছে। যা ডিসেম্বরে ৩.৬% ছিল। RBI গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা বলেছিলেন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতির উপর সমস্ত চাপের বিষয়ে সতর্ক এবং স্থানীয় দামের উপর রুপির অবমূল্যায়নের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করবে।




