Article By – সুনন্দা সেন

আজ আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা ও রুপোর দাম তীব্রচাপের সম্মুখীন হয়েছে। কারণ CME (Chicago Mercantile Exchange)-এ মার্কিন লেভেল বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ট্রেডাররা দ্রুত লাভ করেছে, ফলে দামগুলো আবার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। Comex-এ সোনার দাম প্রায় ১১%-এরও নীচে নেমে প্রতি আউন্স ৪,৭৬৩.১০ ডলারে লেনদেন শেষ করেছে এবং রুপোর দাম প্রায় ৩১% হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৭৮.৮৩ ডলারে নেমে এসেছে। যা সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ স্তর এবং আগের সর্বনিম্ন স্তরের থেকেও নীচে। এছাড়া শিকাগো মারকেন্টাইল এক্সচেঞ্জে ফিউচার মার্কেটে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা শুরু হয়েছে। যার সরাসসরি প্রভাব পড়েছে সোনা ও রুপোর দামে। আর বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা।
পাশাপাশি ভারতে MCX -এও সোনার দর পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এপ্রিল ফিউচারের গোল্ড প্রাইস প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১,৫০,৮৪৯ টাকায় নেমে এসেছে এবং রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,৯১,৯২২ টাকায় লেনদেন করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারের দুর্বলতা, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমানোর মানসিকতা—এই তিনটি কারণ মিলিয়ে দেশীয় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে সাধারণত সোনা ও রুপোর মতো মূল্যবান ধাতু কিছুটা আকর্ষণ হারায়, কারণ এগুলি ডলারে দাম নির্ধারিত হয়।
এই অবস্থায় বাজারের নজর এখন ভারতের ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-এর দিকে। বাজেটের আগে সাধারণত সোনা ও রুপোর বাজারে অস্থিরতা বাড়ে, কারণ সরকার আমদানি শুল্ক, কর কাঠামো বা গহনা শিল্প সংক্রান্ত কোনও ঘোষণা করতে পারে—এই আশঙ্কা থাকে। অতীতে বাজেটে আমদানি শুল্কে পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি সোনার দামে পড়েছে। তাই এবারও বিনিয়োগকারী, গহনা ব্যবসায়ী এবং ট্রেডাররা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এই অবস্থায় বাজারের নজর এখন ভারতের ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-এর দিকে। বাজেটের আগে সাধারণত সোনা ও রুপোর বাজারে অস্থিরতা বাড়ে, কারণ সরকার আমদানি শুল্ক, কর কাঠামো বা গহনা শিল্প সংক্রান্ত কোনও ঘোষণা করতে পারে—এই আশঙ্কা থাকে।
অতীতে বাজেটে আমদানি শুল্কে পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি সোনার দামে পড়েছে। তাই এবারও বিনিয়োগকারী, গহনা ব্যবসায়ী এবং ট্রেডাররা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, স্বল্পমেয়াদে সোনা ও রুপোর দামে আরও ওঠানামা দেখা যেতে পারে। CMI-র মার্জিন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, মার্কিন সুদের হারের দিকনির্দেশ এবং বাজেটের ঘোষণা—এই সব কিছুর ওপর আগামী দিনের বাজার নির্ভর করবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলির স্বর্ণ কেনা এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা সোনার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।




