যে বিনিয়োগের মাধ্যমে আগামী ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আপনি আপনার কোনো লক্ষ্য পূরণ করতে চাইছেন, তাকেই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বলে। তাই যখনই দীর্ঘমেয়াদের কোনো বিনিয়োগ নির্বাচন করবেন, যদি সেটি যথেষ্ট ভোলাটাইল হয় তাতে সমস্যা নেই, কিন্তু দেখে নিতে হবে দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে কিনা। কিন্তু কতটা দামের ওঠানামায় আপনি স্বচ্ছন্দ, সেই বুঝে বিনিয়োগ বিকল্প বাছা উচিত।
বর্তমান অর্থনীতিতে ভবিষ্যতের আর্থিক পরিস্থিতি স্বচ্ছল রাখতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে একটি সুরক্ষিত পথ হিসেবে ধরা হয়। অতীতে আর্থিক বাজারের অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা আজকের তুলনায় অনেক কম ছিল। ফলে স্বল্পমেয়াদে বিনিয়োগ করে চটজলদি রিটার্ন পাওয়া সহজ ছিল। কিন্তু আজকের বাজার তুলনায় অনেক বেশি ভোলাটাইল। ফলে দীর্ঘমেয়াদে টাকা রেখে তার থেকে অধিক রিটার্ন পাওয়াই এই প্রকার বিনিয়োগের লক্ষ্য। এছাড়াও কেবলমাত্র নিকট ভবিষ্যতের চাহিদাগুলিই পূরণ করা যায় শর্ট-টার্ম ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে। তবে ভবিষ্যতের লক্ষ্য পূরণের জন্য অবশ্যই আমাদের দীর্ঘমেয়াদের বিনিয়োগগুলির কথা বিবেচনা করা উচিত। দীর্ঘমেয়াদের জন্য কোনো সম্পদে বিনিয়োগ করতে অনেকেই দ্বিধা করেন। এর মূল কারণ বাজারের অনিশ্চয়তা। কিন্তু যদি আমরা অতীতের উদাহরণ দেখি, তাহলে দেখা যাবে বাজারের অস্থিরতা থাকলেও তা পূর্ব অবস্থায় আবার ফিরেও আসে। দামের ওঠানামা দেখে আমাদের মনে হতেই পারে হয়তো সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ হয়নি, এবং স্বল্পমেয়াদের ক্ষেত্রে তখনই আমরা বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে আসতে চাই বা বেরিয়ে আসি। কিন্তু যদি অতীতের ৫ বছর বা ১০ বছরের সঙ্গে বর্তমান আর্থিক বাজারের তুলনা করা যায় তাহলে দেখা যাবে মার্কেটে কিন্তু কখনই নিম্নগামী প্রবণতা দেখা যায় না। তাই আজকের বাজার পরিস্থিতি দেখে বিচার না করে সিকিউরিটিগুলিতে দীর্ঘ সময়ের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করলে দেখা যাবে সম্পদের বৃদ্ধি অনেক বেশি হয়েছে।
তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ডাইভারসিফিকেশন অবশ্যই দরকার। স্বল্পমেয়াদে যেমন বিনিয়োগ করবেন আগামী ১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে কোনো আর্থিক লক্ষ্য পূরণ করতে, ঠিক তেমনি ভবিষ্যতের আর্থিক চাহিদাগুলি পূরণের জন্য দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগও প্রয়োজন। কেন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ডাইভারসিফিকেশন দরকার তার একটি ছোটো উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরে নিচ্ছি, আপনার কাছে একটি ব্যাগে ৫ টি আপেল আছে। এবার কোনো কারণে ব্যাগটা যদি হারিয়ে যায়, তাহলে সবকটা আপেল হারিয়ে যাবে। কিন্তু যদি আপনি আপেলগুলিকে আলাদা আলাদা ব্যাগে রাখতেন তাহলে একটা ব্যাগ হারালেও, বাকি ব্যাগের আপেলগুলি সুরক্ষিত থাকত। ডাইভারসিফিকেশনও ঠিক একইরকম। বিনিয়োগ করার আগে আপনার আর্থিক লক্ষ্যগুলি বিবেচনা করে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করুন। এতে সর্বাধিক মুনাফা লাভের সম্ভাবনা বাড়ে ও ঝুঁকি অনেক কমে।
সুতরাং আমরা জানলাম অন্তত ৭ থেকে ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে যে-কোনো ক্ষেত্রের বিনিয়োগকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বলা চলে। এবার কয়েকটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা যাক—
- ইক্যুইটি : প্রথমেই আলোচনা করব ইক্যুইটি নিয়ে। আপনার দীর্ঘমেয়াদের লক্ষ্যগুলির জন্য ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ অন্যতম ভালো একটি উপায়। ইক্যুইটি মানেই হল কোনো কোম্পানির শেয়ার। যখনই কোনো কোম্পানির শেয়ার আপনি কিনছেন আপনি সেই কোম্পানির ইক্যুইটিহোল্ডার বা শেয়ারহোল্ডার হচ্ছেন। প্রচুর এমন উদাহরণ আছে, যেখানে দেখা গেছে শেয়ার বা ইক্যুইটিতে ইনভেস্ট করে ইনভেস্টাররা কয়েকগুণ সম্পদ বৃদ্ধি করেছেন। উদাহরণস্বরূপ ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান HDFC Bank Ltd.। গত ২০ বছরে HDFC স্টকের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে যদি ১০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করা হয় HDFC Bank-এর শেয়ারে তাহলে ২০২৪-এর নভেম্বরে দাঁড়িয়ে সেটি প্রায় ৪ লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে। অর্থাৎ সম্পদের বৃদ্ধি হয়েছে ৪০ গুণ।
HDFC Bank-এর মতো আরও অনেক কোম্পানির স্টক আছে যেগুলি বিনিয়োগকারীদের কাছে লাভজনক প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু একইভাবে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাতে বিনিয়োগের ফলে প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। যেমন Reliance Communications। ২০০৭ সালের অক্টোবরে এই কোম্পানির স্টকের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৭৬০ টাকা। সেখানে বর্তমানে স্টক প্রাইস প্রায় ৯৮%-৯৯% কমে ১.৯৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে এই স্টকের বিনিয়োগকারী ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদে স্টকে বিনিয়োগে যেমন সম্পদের বৃদ্ধির প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে, ঠিক তেমনই বিনিয়োগে ঝুঁকির সম্ভাবনাও যথেষ্ট রয়েছে।
- ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ড : কোনো কোম্পানির ইক্যুইটিতে যদি সরাসরি বিনিয়োগ করা হয়, তাহলে সঠিক স্টক বাছার কাজটি বেশ দুরূহ। কারণ অন্তত ৭০০০টি কোম্পানি রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জে, সেখান থেকে কোনটি আপনার জন্য সঠিক হবে তা বোঝা মুশকিল। আর এখানেই বলতে হয় ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডের কথা। ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ড হল এমন এক উপায় যার মাধ্যমে পেশাগত সাহায্য নিয়ে সম্পদের ক্ষতি কমানো যায়। আর যেহেতু মিউচুয়াল ফান্ড, তাই একটি স্টকে বিনিয়োগ না করে একাধিক স্টকে বিনিয়োগ করে ডাইভারসিফিকেশনের সুবিধাও পাওয়া যাবে।
ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে মূলত স্টকে বিনিয়োগ করা হয়। কিন্তু আপনার পুরো অর্থ কোনো একটি বা দুটি স্টকে বিনিয়োগ করা হবে না। বিভিন্ন আলাদা আলাদা স্টকে বিনিয়োগের সুযোগ দেয় ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ড। এছাড়াও পেশাগত সাহায্য পাওয়া যায় কারণ ফান্ড ম্যানেজার সম্পূর্ণ ফান্ডটিকে পরিচালনা করে। ফলে যথাযথ বিশ্লেষণের পরেই তারা সঠিক জায়গায় আপনার অর্থ বিনিয়োগ করে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়।
কয়েকটি জনপ্রিয় ইক্যুইটি ফান্ডের ভাগ ও তাদের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল :
| Equity Mutual Fund | ৫ বছরে রিটার্ন (%) | ১০ বছরে রিটার্ন (%) |
| Large Cap Fund | 16.59% | 11.89% |
| Large & Mid Cap Fund | 20.76% | 14.48% |
| Flexi Cap Fund | 17.63% | 13.40% |
| Mid Cap Fund | 16.62% | 20.87% |
| Small Cap Fund | 29.99% | 17.90% |
| ELSS | 19.09% | 13.75% |
*নভেম্বর ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী।
- রিয়াল এস্টেট : দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য ভারতীয়দের কাছে অবশ্যই একটি জনপ্রিয় বিনিয়োগ বিকল্প হল রিয়াল এস্টেট। যদিও অতীতে অভূতপূর্ব রিটার্ন মিলেছে এই বিনিয়োগ থেকে, তবে এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো যে ঝুঁকিটি রয়েছে তা হল, খুব কম সময়ের মধ্যে এই বিনিয়োগকে লিক্যুইডেট করা যায় না, অর্থাৎ দ্রুত নগদীকরণ সম্ভব নয়। এবং কোনো কারণে প্রপার্টি দ্রুত বিক্রি করতে চাইলেও অধিক ছাড়ে বিক্রি করতে হবে। তাছাড়াও যতটা প্রপার্টি আছে তার তুলনায় কম অর্থের প্রয়োজন হলেও সম্পূর্ণ প্রপার্টিই বিক্রি করতে হবে। তাছাড়াও রিয়াল এস্টেটে বিনিয়োগ করতে হলে কয়েক কোটি টাকা একসঙ্গে বিনিয়োগ করতে লাগবে, ফলে অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা প্রায় থাকবেই না। সেক্ষেত্রে Real Estate Investment Trust-এ বিনিয়োগের কথা ভাবা যেতে পারে। বিভিন্ন রিয়াল এস্টেট রিসার্চ ফার্মগুলি ভারতের নয়টি বৃহত্তম শহর থেকে রিয়াল এস্টেট প্রপার্টির রিটার্ন তুলনা করে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, রিয়াল এস্টেট থেকে গত ১০ বছরে গড়ে ১০% রিটার্ন মিলেছে।
- গোল্ড : প্রাচীন সময় থেকেই সোনাকে সম্পদের প্রতীক ধরা হয়। এমনকি বর্তমানেও দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সোনার উজ্জ্বল্য একফোঁটাও কমেনি। এই সম্পদটি এমন একটি বিনিয়োগ বিকল্প যা মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। দুইভাবে সোনায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে। প্রথমত ফিজিক্যাল গোল্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন, যেটি সোনা কেনার একটি চিরাচরিত পদ্ধতি। তবে এর কিছু কিছু অসুবিধাও রয়েছে, যেমন – সোনার জিনিস তৈরি করার বা তার নকশা তৈরি করার চার্জ আলাদা। এছাড়াও সেই গয়না বা জিনিস সুরক্ষিত রাখতে ব্যাংক লকার ব্যবহার করলেও তার জন্য আলাদা চার্জ পে করতে হয়। তবে সরাসরি সোনা না কিনে মিউচুয়াল ফান্ড বা ETF (Exchange Traded Fund)-এর মাধ্যমে সোনায় বিনিয়োগ করতে পারেন। Gold ETF হল একধরনের exchange-traded fund যেটি সোনার দামের উপর ভিত্তি করে সোনায় বিনিয়োগ করে। আসলে গোল্ড ETF ফিজিক্যাল গোল্ডকেই বোঝায়, তবে সেটি পেপার ফর্মে বা ডিম্যাট ফর্মে পাওয়া যায়। Gold ETF-এর এক ইউনিট ১ গ্রাম সোনার সমান। স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ারের কেনাবেচা যেমন হয়, ঠিক তেমনভাবে Gold ETF-এর মাধ্যমে ফিজিক্যাল গোল্ডের পেপার ফর্মে বা ডিম্যাট ফর্মে কেনাবেচা হয়, আবার সোনার শোধনাগার বা সোনার খনির স্টকের কেনাবেচাও হয়। এছাড়া ডিজিটাল গোল্ড, সোভেরিন গোল্ড বন্ড ইত্যাদির মাধ্যমেও সোনায় বিনিয়োগ করা যায়। World Gold Council-এর রিপোর্টে দেখা গেছে ২০২০ পর্যন্ত গত ৩০ বছরে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদ দিলে মোটের উপর ভালো রিটার্ন মিলেছে সোনা থেকে। গত ৩০ বছরে গড়ে সোনা থেকে বার্ষিক ১২.৮% রিটার্ন মিলেছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে দেখা যাচ্ছে সোনার ভোলাটিলিটি, ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্টের ভোলাটিলিটি থেকে কম। সাধারণত সাধারণ মানুষ যখন সংকটের সময়ে নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগের বিকল্প খোঁজে, তখনই সোনার দাম বাড়ে। ফলে মুদ্রাস্ফীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটের অনিশ্চয়তার সময়ে সোনায় বিনিয়োগ অনিশ্চয়তাজনিত ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
- স্বল্প সঞ্চয়ী প্রকল্প : উক্ত দীর্ঘমেয়াদি বিকল্পগুলি বাদে এখন যে বিনিয়োগগুলির সম্পর্কে জানাব, সেগুলিতে বিনিয়োগে নিশ্চয়তা অনেক বেশি কারণ সরকারি হস্তক্ষেপ রয়েছে এই স্বল্প সঞ্চয়ী প্রকল্পটিগুলিতে। এই প্রকল্পগুলি থেকে বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিত রিটার্ন পান এবং রিটার্নের পরিমাণেরও খুব বেশি হেরফের হয় না। তবে এই স্বল্প সঞ্চয়ী প্রকল্পগুলিতে যেহেতু ঝুঁকির পরিমাণ কম তাই রিটার্নও অন্যান্য বাজার সম্পর্কিত সিকিউরিটি যেমন স্টক, মিউচুয়াল ফান্ড, NPS ইত্যাদির তুলনায় কম। তবে ফিক্সড ডিপোজিটের তুলনায় এই প্রকল্পগুলির রিটার্নের পরিমাণ বেশি। এমনই কিছু প্রকল্প হল– পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF), সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা (SSY), সিনিয়র সিটিজেনস সেভিংস স্কিম (SCSS) ও কিষাণ বিকাশ পত্র (KVP)।
একটি ছকের মাধ্যমে দেখানো হল এই স্বল্প সঞ্চয়ী দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলি থেকে কীরকম রিটার্ন পাওয়া যেতে পারে।
| প্রকল্প | সুদের হার |
| PPF | ৭.১% |
| SCSS | ৮.২% |
| SSY | ৮.২% |
| KVP | ৭.৫% |
*২০২৪-এর নভেম্বরের তথ্য অনুযায়ী
এগুলির মধ্যে কেবল সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম ছাড়া বাকিগুলিতে বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ মেলে। কেবলমাত্র SCSS-এ প্রতি ত্রৈমাসিকে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের গণনা হয় ও সুদ payout করা হয় অর্থাৎ প্রদান করা হয় প্রতি ত্রৈমাসিকে। উল্লেখ্য, প্রতি তিনমাস পরপর ভারতীয় অর্থমন্ত্রক সুদের হার পরিবর্তন করে।
- NPS : NPS অর্থাৎ ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রকল্প, যেটি আদতে একটি অবসরকালীন প্রকল্প। NPS-এ যে অর্থ বিনিয়োগ করা হয়, সেগুলি ইক্যুইটি, সরকারি বন্ড, কর্পোরেট বন্ড ইত্যাদি বিভিন্ন অ্যাসেটে বিনিয়োগ করা হয়। তবে কোন অ্যাসেটে কী পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে চান, সেটি আপনি কতটা ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত, সেই হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন। করের ক্ষেত্রে 80C-এর সুবিধে পাওয়া যাবে।





