Article By – সুনন্দা সেন

২০২৫ সালের শেয়ার বাজারের দরপতনের ফলে গৌতম আদানি এবং মুকেশ আম্বানি সহ মোট সাতজন ভারতীয় বিলিয়নারের সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কমেছে। তারপরে রয়েছে HCL টেকনোলজিসের শিব নাদার, শাপুরজি পালোনজি গ্রুপের শাপুর মিস্ত্রি, সান ফার্মার দিলীপ সাংঘভি এবং রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, এই সাতজন বিলিয়েনারদের আগে মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ৩০৯.৮০ বিলিয়ন ডলার। তবে বর্তমান বছরের শেয়ার বাজারের সংশোধনের কারণে এই পর্যন্ত তাদের সম্মিলিত ভাবে ৩৩.৯৮ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক ১২৬ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। এই বছর মার্কিন মার্কেটে টেসলার শেয়ারের দাম ৩৯% হ্রাস পাওয়ার কারণে। আর ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি ৩.১৩ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের দাম ২.৫৪% বাড়লেও জিও ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের শেয়ারের দাম ২৮.৭% কমেছে। গৌতম আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ ১০.১ বিলিয়ন ডলার কমে ৬৮.৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এইবছরে আদানি এন্টারপ্রাইজেস (১২%), আদানি গ্রিন এনার্জি (২২%), আদানি টোটাল গ্যাস (২১.২৬%) সহ এই বছর আরও অনেক শেয়ারের দাম কমেছে।
শিব নাদের ৭.১৩ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন এবং শাপুর মিস্ত্রি ৪.৫২ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছে। বর্তমানে তাদের সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ বিলিয়ন ডলার এবং ৩৪.১ বিলিয়ন ডলার। ওপি জিন্দাল গ্রুপের মোট সম্পদের পরিমাণ ২.২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালের আজিম প্রেমজির সম্পদের পরিমাণ ২.৭ বিলিয়ন ডলার কমে ২৮.২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। দিলীপ সাংভির সম্পদের পরিমাণ ৪.২১ বিলিয়ন ডলার কমে ২৫.৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে উইপ্রোর শেয়ারের দাম ১২.৪৮% কমেছে এবং সান ফার্মার শেয়ারের দাম ১১.৭২% কমেছে।




