Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্পেস টেকনোলজি কোম্পানি ‘স্পেসএক্স (SpaceX)’ ২০২৬ সালে একটি সম্ভাব্য মেগা IPO আনার পরিকল্পনা করছে বলে আন্তর্জাতিক বাজারে জোর আলোচনা চলছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই IPO (প্রাথমিক পাবলিক অফার)- এর আকার এতটাই বড় হতে পারে যে তা পুরো বছরের গ্লোবাল স্টক মার্কেটের লিস্টিং ক্যালেন্ডারই বদলে দিতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই IPO থেকে কয়েক শত বিলিয়ন ডলার তোলা হতে পারে এবং কোম্পানির মূল্যায়ন ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
যদি এমন হয়, তবে এটি বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বড় পাবলিক অফার হিসেবে গণ্য হবে। এই বিশাল IPO-এর কারণে বড় আন্তর্জাতিক বা গ্লোবাল ফান্ড ও ইনস্টিটিউশনাল বিনিয়োগকারীরা আগে থেকেই টাকা সংরক্ষণ করতে শুরু করতে পারেন। যার ফলে একই সময়ে লিস্টিং করতে চাওয়া অন্য কোম্পানিগুলি পর্যাপ্ত বিনিয়োগ তাও পেতে পারে। বাজার মহলের অনুমান, তাই বেশকিছু সংস্থা Spacex-এর আগে, আর কিছু পরে IPO আনার পরিকল্পনা করতে পারে।
মার্কিন বিলিয়নের ইলোন মাস্কের স্পেস কোম্পানির SpaceX-এর এই বিপুল অর্থ তোলার পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে তাদের একাধিক উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প। এর মধ্যে রয়েছে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক (Starlink)-এর সম্প্রসারণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট ও গভীর মহাকাশ মিশনের উন্নয়ন, এবং বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মহাকাশযান স্টারশিপ (Starship)-এর উন্নয়ন।
বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তি ও মহাকাশ খাতে দ্রুত বৃদ্ধি এবং স্যাটেলাইট-ভিত্তিক যোগাযোগ পরিষেবার চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয়ও দ্রুত বাড়তে পারে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেই বড় স্কেলে পুঁজিবাজারে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এদিকে, এত বড় IPO হলে ২০২৬ সালকে অনেকেই “মেগা-টেক লিস্টিংয়ের বছর” হিসেবেও দেখছেন। কারণ একই সময়ে আরও কয়েকটি বড় প্রযুক্তি সংস্থাও বাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর রয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন থেকেই ওই বছরের সম্ভাব্য বড় বড় অফারের দিকে।




