Article By – সুনন্দা সেন

সোনা ও রুপোর দামে তীব্র সংশোধনের প্রভাব পড়েছে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড বা ETF-বাজারেও। গোল্ড ও সিলভার ETF-এ একদিনেই ৮% থেকে ১০% পর্যন্ত পতন দেখা গেছে। ফলে খুচরো বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে, বিশেষ করে যারা সাম্প্রতিক উর্ধ্বগতির সময় বিনিয়োগ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধ্বসের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। আর গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলি হলো–
- প্রথমত, সাম্প্রতিক সময়ে সোনা ও রুপোর দামে শক্তিশালী র্যালির পর বড় বিনিয়োগকারীরা লাভ তুলে নিতে বা প্রোফিট বুক করতে শুরু করেছে। আর তার চাপেই দামে দ্রুত পতন লক্ষ্য করা গেছে।
- দ্বিতীয়ত, মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়া এবং সুদের হার দ্রুত কমার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় মূল্যবান ধাতুর উপর চাপ বেড়েছে। যার কারণেও এই পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে অনুমান।
এছাড়া ETF-এ পতন তুলনামূলকভাবে বেশি চোখে পড়েছে কারণ এখানে দ্রুত কেনাবেচা সম্ভব। বাজারে আতঙ্ক তৈরি হলে বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিক্রি শুরু করেন, যা দামকে আরও নীচে নিয়ে যায়। অবশ্য এর ফলে ফিজিক্যাল সোনার তুলনায় ETF-এ অস্থিরতা বেশি হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে সোনা ঐতিহাসিকভাবে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে কাজ করেছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ও সোনার চাহিদা বাড়তে দেখা যায়।
বিশ্লেষকদের পরামর্শ, আতঙ্কে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের বিনিয়োগ লক্ষ্য ও সময়সীমা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পোর্টফোলিওতে সোনার অনুপাত সাধারণত ৫% থেকে ১০%- এর মধ্যে রাখা ভারসাম্যপূর্ণ বলে ধরা হয়। বড় অঙ্ক একসঙ্গে বিনিয়োগের বদলে ধাপে ধাপে বিনিয়োগের কৌশলও বিবেচনা করা যেতে পারে।




