Article By – সুনন্দা সেন

ওয়াল স্ট্রিটের বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্রয়ের উর্ধ্বগতিকে পেছনে ফেলে আবারও পতনের সম্মুখীন বিটকয়েন। ৪ নভেম্বর নিউইয়র্কে মূল ক্রিপ্টোকারেন্সি ৭.৪% কমে ৯৬.৭৯৪-এ দাঁড়িয়েছে। যা জুন, ২০২৫- এর পর প্রথমবারের মতো ১,০০,০০০ ডলারে নীচে নেমে যায়। এছাড়া এটি একমাস আগের রেকর্ড সর্বোচ্চ পৌঁছানো থেকে ২০%-এরও বেশি হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়। যা ইক্যুইটি অরিয়েন্টেড বাজারের মন্দার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইথার ১৫% পর্যন্ত কমেছে এবং বেশ কয়েকটি তথাকথিত অল্টকয়েনও একইরকম পতনের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যার ফলে এই বছর লেনদেনে স্বাচ্ছ্যতা অনেক সময়ে লক্ষ্য করা যায়নি, অন্যদিকে লিক্যুইড টোকেন ৫০%-এর বেশি ছিল।
CoinMarketCap-এর তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টো মার্কেটের মোট বাজার মূল্য প্রায় ৮৪০ বিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। অক্টোবর মাসে বিটকয়েন ২০১৮ সালের পর সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম্যান্স করেছে বলে জানা যাচ্ছে। আর এর কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্টের আরোপ করা শুল্ক যুদ্ধ নতুন মোড় নিয়েছে। এর সাথে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলি আরও বেশ কয়েকটি প্রতিকূলতার মুখোমুখিও হয়েছে। আর সেই প্রতিকূলতার মধ্যে অন্যতম হল এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড থেকে বহির্গমন এবং ডিজিটাল – অ্যাসেট ট্রেজারি ফার্মগুলির সম্ভাব্য বিক্রয় নিয়ে উদ্বেগ।
২০২৫ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের দায়িত্বে আসা এবং ট্রাম্প মিডিয়া সহ একাধিক বড় কোম্পানির বিটকয়েনে বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণার সাথে সাথে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে টোকেনটি ১,২০,০০০ ডলারের স্তর অতিক্রম করে। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব বিটকয়েন রিজার্ভও তৈরি করে। বর্তমানে ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসোট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আগস্টের মধ্যে ফেডারেড মজুদের মোট সম্পদ ১৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে এটির সম্পর্কিত উদ্বেগ এখন না থাকলেও অক্টোবরের শুরুতে ট্রাম্প চীন থেকে আমদানির উপর ১০০% শুল্ক আরোপ করার পর বিটকয়েনের দাম হ্রাস পায়।




