Article By – সুনন্দা সেন

দেশের বৃহত্তম এবং জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্ট (Flipkart) এবার IPO আনার উদ্দ্যোগ নিচ্ছে। প্রায় ১২ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে প্রাথমিক পাবলিক অফার আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কোম্পানিটি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এটি হতে চলেছে স্টার্ট আপ মার্কেটগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হতে চলেছে। সদ্য প্রকাশিত একটি সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট বলছে যে ওয়ালমার্টের মালিকানাধীন ই-কমার্স ফার্মটি তার ডোমিসাইল বা ব্যবসায়িক কাজকর্মের একটি অংশ সিঙ্গাপুর থেকে ভারতে স্থানান্তরের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। আর এও উল্লেখ করা হয়েছে যে ফ্লিপকার্টের ইস্যু ভারতীয় শেয়ার বাজারের বৃহত্তম পাবলিক অফার হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন সংস্থার ভারতে তার ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থানান্তর হল IPO লঞ্চ করার উদ্দেশ্যেরই একটি অংশ। আশা করা যাচ্ছে যে ফ্লিপকার্টের প্রাথমিক পাবলিক অফার আগামী বছরের শেষের দিকে বা ২০২৬ সালের প্রথম দিকে বাজারে আসতে পারে। আর কেবল অনুমান নয় সূত্র জানাচ্ছে প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। যা নিশ্চিত করছে যে ওই সময়ের মধ্যেই IPO আসা উচিত। এর আগে কনজিউমার ইন্টারনেট ফার্মের ক্ষেত্রে জোম্যাটো (Zomato), নাইকা (Nykaa) এবং সুইগী (Swiggy)-এর শেয়ার তালিকাভুক্ত হয়েছে। আর তা দেশের স্টার্টআপগুলিতে খুচরা বা রিটেল বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে Flipkart-এর শেয়ার আসলে তা ভারতীয় শেয়ার বাজারের শীর্ষে থাকবে।
IPO সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
২০১৮ সালে ওয়ালমার্টের পক্ষ থেকে ফ্লিপকার্টের অধিকাংশ স্টেক অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। আর তখন IPO লঞ্চ ওই চুক্তির অংশ ছিল। ফ্লিপকার্টের প্রায় ৮১% স্টেক রয়েছে ওয়ালমার্টের কাছে। যে কারণে ই-কমার্স সংস্থার শেয়ার তালিকাভুক্তি ওয়ালমার্টের জন্যও সুবিধাজনক হতে চলেছে। এছাড়া অন্যদিকে জানা যাচ্ছে ওয়ালমার্ট ফ্লিপকার্টে প্রাথমিক পুঁজি হিসাবে বিভিন্ন ধাপে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। আর চলতি বছরের প্রথমার্ধে ৬০০, বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে অনলাইন কমার্স সংস্থাটি চলতি অর্থবছরে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে। যার মধ্যে গুগল (Google) থেকে সংগ্রহ করা ৩৫০ মিলিয়ন ডলার রয়েছে।




