Article By – সুনন্দা সেন

উচ্চ অভ্যন্তরীণ স্টক মূল্যায়ন, চীনে বরাদ্দ বৃদ্ধি, এবং ক্রমবর্ধমান মার্কিন ডলারের বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়তে থাকা ট্রেজারি আয়ের কারণে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা চলতি মাসের এই পর্যন্ত ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ২২,৪২০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে বা pulled out করেছে। লিক্যুইডিটি টাইট হওয়ার কারণে, স্বল্পমেয়াদে FPI প্রবাহ হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর FPI – এর কার্যকলাপে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন জানুয়ারির শুরুর আগে অসম্ভাব্য বলেও মনে হচ্ছে।
সামগ্রিক বাজারের মনোভাব দুর্বল রেখে অংশীদার, আর্থিক পরামর্শদাতা অখিল পুরি বলেছেন, তথ্য অনুযায়ী FPIs নভেম্বর মাসে এই পর্যন্ত ২২,৪২০ কোটি টাকার নেট আউটফ্লো রেকর্ড করেছে। এটি অক্টোবরের ৯৪,০১৭ কোটি টাকার নেট উইথড্রোলারের পরে এসেছে। যা ছিল চলতি সবচেয়ে খারাপ মাসিক বহিঃপ্রবাহ। এর আগে ২০২০ সালের মার্চ মাসে FPI -গুলি ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ৬১,৯৭৩ কোটি টাকা প্রত্যাহার করেছিল। অন্যদিকে সেপ্টেম্বরে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা নয় মাসের সর্বোচ্চ ৫৭,৭২৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল।
জিওজিত ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস – এর চিফ ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট ভি কে বিজয়কুমার বলেছেন, অক্টোবর থেকে ক্রমবর্ধানভাবে FPI বিক্রি তিনটি কারণের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। আর সেগুলি হলো এক, ভারতে উচ্চ মূল্যায়ন; দুই, আয় হ্রাস সংক্রান্ত উদ্বেগ; এবং তিন, ট্রাম্প বাণিজ্য। যদিও আরও একটি ধারণা হলো, অনেকেই ভারতে বিক্রি করে চীনের বাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। সমান ভাবে এটি মার্কিন স্টক মার্কেটের জন্যও প্রযোজ্য হচ্ছে।
[ মনে রাখবেন আমাদের উদ্দেশ্য হল আপনাদের কাছে শেয়ার বাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংক্রান্ত সঠিক তথ্য বাংলা ভাষায় তুলে ধরা। এছাড়া অবশ্যই জানিয়ে রাখা ভালো যে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করা দরকার। Buzy With Info কখন কোনো স্টকে, বন্ডে বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। কেবল জ্ঞান বৃদ্ধি ও শিক্ষার জন্য বাজার সম্পর্কিত খবর প্রকাশ করা আমাদের লক্ষ্য।]




