Article By – সুনন্দা সেন

চলতি মাসের শুরুতে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর, ধাতুটি এখন কিছু হ্রাস পেয়েছে। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (MCX) সোনার ডিসেম্বর ফিউচার প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১.২১ লক্ষ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে রুপোর দাম গত সপ্তাহে তীব্র পতনের ফলে প্রতি কেজির দাম ১.৪৩ লক্ষ টাকায় নেমে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে সোনার দাম প্রায় ৭৫,০০০ টাকা ১.৩০ লক্ষ টাকায় উন্নীত হওয়ার পর এই পতন আসে। যা প্রত্যাশিত এবং কোনো নেতিবাচক ইঙ্গিত নয়। এছাড়া আগামী দিনে দুই ধাতুর ক্ষেত্রেই আরও সংশোধনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনার ঘাটতি থঅকলেও চাহিদা এখনও স্থিতিশীল। শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে সোনার দাম বৃদ্ধির পরেও হলুদ ধাতু থেকে ক্রেতারা মুখ ফেরাননি। নবরাত্রি (দূর্গাপূজা) পর থেকে দীপাবলির সময় পর্যন্ত জুলেনার্সরা ধারাবাহিক ভাবে ক্রেতাদের আগমনের কথা জানান। সাথে বলেন যে বিয়ের মরশুমের আগে সোনার দাম আরও কমলে নতুন করে উচ্চ হারে কেনাকাটা শুরু হবে। দেশীয়ভাবে বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস অটল থাকলেও বিশ্বব্যাপী মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের অবস্থায় প্রভাব ফেলেছে। সাথে আগ্রহ হ্রাসের পেছনে মার্কিন ডলারের রেকর্ড উত্থান এবং মুনাফা বুকিং অবদান রেখেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত সপ্তাহে একদিনে সোনা ৬%-এরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। যা এক দশকেও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র পতন। এছাড়া শক্তিশালী মার্কিন ডলারের পাশাপাশি এশিয়ায় এর ফিজিক্যাল ডিমান্ড হ্রাস এবং সর্বোচ্চ মুনাফা বুকিং সোনার দাম হ্রাসে অবদান রেখেছে। তবুও বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি একটি সাধারণ ঘটানা। সোনার পাশাপাশি রুপোর দামের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রমের পরে ৯%-এর সংশোধন লক্ষ্য করা গেছে। রুপোর পতন আগামীতে অব্যহত থাকলেও তা দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়। এছাড়া সোনার ক্ষেত্রেও ১০% থেকে ১৫%-এর সংশোধনের সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম ১.১৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছাবে।




