Article By – সুনন্দা সেন

১৬ এপ্রিল অর্থাৎ আজ ৩,৩১৮ ডলারের ইন্ট্রাডে সর্বোচ্চ মূল্যের সাথে প্রথমবারের মতো সোনার নাম ৩,৩০০ ডলার ছাড়িয়ে এক নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় সোনার দাম ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এটির মার্কিন বাণিজ্য নীতির ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ বিভাগ হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বৈশ্বিক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সোনার চাহিদা। তবে প্রশ্ন হলো সোনা এই ঐতিহাসিক স্তর ধরে রাখতে পারবে? US প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুসারে, গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল (খনিজ) আমদানির উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সম্ভাবনার উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে সোনার বাজারে।
মার্কিন-চীন বাণিজ্য উত্তেজনা একটি অনিশ্চিত অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করায় বিনিয়োগকারীদের মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ এবং মার্কিন ট্রেজারিগুলিতে আস্থা হ্রাস পাচ্ছে। তার সাথে সাথে বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে আগ্রহী এবং নির্ভর হয়ে পড়ছে। অগমন্টের রিসার্চ হেড ডঃ রেনিশা চাইনানি উল্লেখ করেন যে, আজ সোনার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ পৌঁছেছে। যার কারণ হল বাণিজ্য যুদ্ধে উত্তেজনা, ডলারের অবমূল্যায়ন। যা নিরাপদ বিনিয়োগের আশ্রয় হিসাবে সোনাকে প্রথম রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলির ধারাবাহিক স্বর্ণক্রয় এবং স্বর্ণ সমর্থিত ETF-গুলিতে বিনিয়োগ সোনার উর্ধ্বমুখী গতিপথকে আরও সমর্থন করে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও আক্রমনাত্মক বাণিজ্য ভঙ্গিঁ, বিশেষ করে চীনা আমদানির উপর ২৪৫% শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা টাকা পড়নের সৃষ্টি করেছে এবং সোনার চাহিদা বৃদ্ধি করেছে। মার্কিন ডলার ক্রমাগত দুর্বল হয়ে পড়া, আর মন্দার আশঙ্কা দেখা দেওয়ার সাথে সাথে সোনার দাম তার বৃদ্ধি বজায় রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমনকি ২০২৫ সালের শেষের দিকেফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানো প্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত সোনার দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ভারতে সোনার দাম ১ লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। যা বিশ্বব্যাপী এই ধাতুর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে।




