Article By – সুনন্দা সেন

সদ্য প্রকাশিত প্রভিশোনাল এক্সচেঞ্জ রিপোর্ট অনুসারে, ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিদেশী বিনিয়োগকারী বা FII / FPI ৩৮৪ কোটি টাকার ভারতীয় ইক্যুইটি বিক্রি করেছেন। একই সময়ে দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা (DII) ৩,০৯২ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। যদি এক্টিভিটি রিপোর্ট বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যাবে যে DII ১৬,০৩৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে এবং ১২,৯৪৪ কোটি টাকায় শেয়ার বিক্রি করেছে। অন্যদিকে বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ১৪,৯০৩ কোটি টাকার শেয়ার কিনলেও, একদিনে FII মোট ১৫,২৮৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
চলতি বছরের এই পর্যন্ত FII ২.৪৯ লক্ষ কোটি টাকার শেয়ার নিট বিক্রি করেছে। যেখানে DII ৬.৬১ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। যদি একটি তালিকার সাহায্যে দেখা যায় তবে,
| সময় | FII-এর লেনদেন | DII-এর লেনদেন |
| ১৩ নভেম্বর,২০২৫ | -৩৮৪ কোটি টাকা | ৩,০৯২ কোটি টাকা |
| নভেম্বর, ২০২৫ | -১০,৪০৪ কোটি টাকা | ৮৫,৬৮১ কোটি টাকা |
| ২০২৫ সালের এই পর্যন্ত | -২,৪৯,৬৫২ কোটি টাকা | ৬,৬১,১৯০ কোটি টাকা |
১৩ নভেম্বরের মার্কেট বিষয় রেলিগেয়ার ব্রোকিং-এর রিসার্চ বিভাগের SVP অজিত মিশ্র উল্লেখ করেছেন যে গোটা দিনে শেয়ার বাজার অস্থির ছিল এবং সপ্তাহিক মেয়াদের প্রায় শেষের দিকে এটি তার আগের সপ্তাহের ন্যয় থাকায়, তা অপরিবর্তিত বলে ধরা যায়। তিন বলেন যে সামগ্রিক আন্ডারটোন গঠনমূলক (স্ট্রাকচারার) রয়ে গেছে, যা ব্যাংকিং এবং IT-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের স্থিতিস্থাপকতা দ্বারা সমর্থিত। আরও বলেন,ব্যবসায়ীদের একটি স্টক-নির্দিষ্ট পদ্ধতি গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, ব্যাংকিং, অটো এবং ধাতুর মতো খাতভিত্তিক পারফর্মার্সের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য অস্থিরতার মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কৌশল বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।




