buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Untitled 700 x 325 px 16

মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেন? যদি পোর্টফোলিওতে ইক্যুইটি ফান্ড বাড়াতে চান, তবে জেনে নিন এই বিশেষ তথ্যগুলি।

বর্তমানে বিনিয়োগ করার বিষয়টি বেশ সহজ হয়ে গিয়েছে। তবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনেকেই বিনিয়োগ এড়িয়ে চলেন। তাই বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারের পরিবর্তে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে থাকেন। কারণ এই বিনিয়োগ বিকল্পটিতে ঝুঁকি কিছুটা হলেও কম। অবশ্য বেশকিছু মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্কিম equity- তে বিনিয়োগ করে তাই বাজার সংক্রান্ত ঝুঁকি এই ফান্ডেও দেখতে পাওয়া যায়। আমরা ঝুঁকি আছে বা নেই বুঝতে পারি। কিন্তু সেই ঝুঁকি কী কী ধরনের হতে পারে সেই সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান থাকে না। তবে এই বিষয় না জানলে বিনিয়োগের অঙ্কের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর আমরা সকলেই কখনোই মূলধনের ক্ষতি মেনে নিতে পারবো না। তাই জেনে নেওয়া ভালো ‘ইক্যুইটি’ ফান্ড’– এ কী ধরণের ঝুঁকি থাকে। 

New Add Banner1

ইক্যুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ঝুঁকিগুলি দুই ভাবে বিভক্ত করা হয়েছে। একটি হল সাধারণ ঝুঁকি এবং দ্বিতীয় হল নির্দিষ্ট ঝুঁকি। চলুন তবে এই দুই বিভাগে কি কি ঝুঁকি রয়েছে তা দেখে নেওয়া যাক:- 

গুরুত্বপূর্ণ ৪ টি সাধারণ ঝুঁকি হল:-

  1. এই ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুদের হার, সরকারি নীতি, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির মতো বৃহৎ কারণের দ্বারা প্রভাবিত হয়। 
  1. শেয়ার বাজারের মতো ইক্যুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে আয়ের কোনো নিশ্চয়তা বা গ্যারান্টি থাকে না। 
  1. বাজার- পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে ফান্ডের মূল্য ফ্লাকচুয়েট করে। 
  1. বিনিয়োগ সংক্রান্ত ঝুঁকিতে রয়েছে লেনদেনের ঝুঁকি, ফান্ড বিক্রি করার সময় ক্রেতা না পাওয়ার ঝুঁকি। 

এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক ইক্যুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের নির্দিষ্ট ঝুঁকিগুলি কি কি তা দেখে নেওয়া যাক:-

  1. যেহেতু এই ফান্ডের ৮০% অর্থ ইক্যুইটি বিনিয়োগ করা হয়, যা বাজার পরিস্থিতির সাথে সোজাসুজি থাকায় খুব কম হলেও মূলধন হারানোর ঝুঁকি থাকে। 
  1. অনেক সময় বাজারের পরিস্থিতি না ভেবেই অনেকেই বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ করতে থাকেন বা তা যদি না করে ফান্ড বিক্রি করার আগে অত্যাধিক টাকা রিডিম করতে থাকেন বিনিয়োগ না করে। এমন অবস্থা যদি আপনি নিজ ফান্ড বিক্রি করার কথা ভাবেন সে ক্ষেত্রেও যেহেতু বাজারের নিষেধাজ্ঞা আছে এবং আপনি নিয়ম লঙ্ঘণ করেছেন, তাই বিক্রি করতে পারবেন না। 
Untitled 700 x 325
  1. এছাড়া আপনার ফান্ড ম্যানেজার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভবিষ্যতের পারফর্ম্যান্সের কথা ভেবে বিনিয়োগের কথা বলেন। তবে আগে ফান্ডটি যে ভাবে লাভ করেছে আগামী দিনেও তেমন করবে, এ বিষয় নিশ্চয়তা নেই অর্থাৎ অনিশ্চিত রিটার্নের ঝুঁকি। 
  1. শেয়ার বাজারের বিভিন্ন সেক্টর পৃথক পৃথক সময় ভালো এবং খারাপ পারফর্ম করে, এমন অবস্থায় ইক্যুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা অর্থও বাজার ওঠা নামার সাথে নির্ভর করে।    

শেয়ার বাজারের মতো মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি লক্ষ্য করা যায়। এমন অবস্থায় স্থির রিটার্ন না পাওয়ার প্রবণতা থাকে বেশি। অবশ্য বর্তমানে স্থির রিটার্ন পেতে আর ফিক্সড ডিপোজিট ও রেকারিং ডিপোজিট নয়, বিনিয়োগ করুন Central Government schemes এ। বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে যেমন কোনো প্রকার ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয় না। তেমন প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে ভারত সরকার স্কিম চালু করেছেন। এই যেমন ধরুন: কিষাণদের জন্যে, অপসর গ্রহণের পরের জীবনের জন্যে, মহিলাদের জন্যে, শিশু কন্যা সন্তানদের জন্য, কারিগরদের জন্যে, চাকুরিরত মানুষদের জন্য ইত্যাদি উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে Central Government schemes। আপনার জন্যে কোন স্কিমটি সঠিক এবং স্কিম গুলি কী কী সুবিধা দিচ্ছে [জানতে এক্ষুনি লিংকে ক্লিক করুন]

(আপনাদের জেনে রাখা ভালো যে, এখানে শেয়ার বাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংক্রান্ত কেবল তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আমরা কোনো স্টকে, Mutual fund- এ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়ে থাকি না। আমাদের উদ্দেশ্য কেবল তথ্য এবং বাজার সংক্রান্ত খবর আপনাদের অব্দি পৌঁছে দেওয়ার।)

Copy of ONLY Text Ads Banner BWI News

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading