ETF বা Exchange Traded Fund শেয়ারের মতোই স্টক মার্কেটে কেনাবেচা করা যায়। এটাকে ‘basket of stocks’ বলা যেতে পারে। একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটাকে সহজে বোঝা যাক। ধরুন, আপনি ৫০টি কোম্পানির শেয়ার কিনতে চান। তাহলে আপনি কী করতে পারেন? এক, আপনি ৫০টি আলাদা আলাদা স্টক কিনতে পারেন অথবা দুই, ৫০টি স্টকের একটি ETF কিনতে পারেন। এটা অনেকটা index mutual fund-এর মতো কাজ করে তবে index mutual fund-এর সঙ্গে এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হল এটি exchange-এ trade হয়, যেটা মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে হয় না। মিউচুয়াল ফান্ড এক্সচেঞ্জে ট্রেড হয় না।
ETF আপনি শেয়ার বাজার থেকে লাইভ প্রাইসে কেনাবেচা করতে পারবেন। সেইকারণেই এর নাম Exchange Traded Fund। যেহেতু ETF সারাদিনের মধ্যে কেনাবেচা চলে তাই ETF-এর দাম পুরো ট্রেডিং ডে-তে ওঠে-নামে। আর অন্যদিকে Mutual fund-এ দিনের শেষে underlying asset-এর NAV-এর ওপর ভিত্তি করে দাম ঠিক করা হয়।
প্রতিটি ETF-এ underlying কিছু asset থাকে, যেমন Nifty 50 BeES ETF। এর underlying asset হল 50টি large cap কোম্পানি। আবার Gold ETF সোনার movement-কে track করে, তেমনই PSU bank ETF, PSU banks গুলিকে track করে। সুতরাং ETF-এর underlying asset stock, bond, commodity ইত্যাদি যা কিছু হতে পারে।
ETF একটি passively managed fund যেটা কোনো underlying asset-কে track করে। ফলে যেহেতু এটা mutual fund-এর মতো actively managed হয় না, তাই এর expense ratio-ও mutual fund-এর তুলনায় কম।
এবার প্রশ্ন আসতে পারে যে কেন আমরা ETF-এ বিনিয়োগ করব? ETF-এ বিনিয়োগ করার অন্যতম প্রধান সুবিধা হল ETF-এর মাধ্যমে দুধরনের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে পেতে পারেন বিনিয়োগকারীরা।
প্রথমত, যেহেতু একাধিক সিকিউরিটিজ একটি ETF-এর মধ্যে থাকে, তাই mutual fund-এর মতো diversification-এর সুযোগ রয়েছে, তাও আবার mutual fund থেকে সস্তা দামে।
আর দ্বিতীয়ত, স্টকের মতো real time price-এ কেনার সুযোগ থাকে ETF। তবে ETF-এ ট্রেড করতে হলে আপনার demat A/C প্রয়োজন কারণ স্টকের মতো সারাদিনে ETF-এর কেনাবেচা চলে। ফলে যদি মিউচুয়াল ফান্ডের মতো diversification চান তাও আবার স্বল্প expense ratio-তে, তাহলে পোর্টফোলিওর কিছুটা ETF-এ ইনভেস্ট করতেই পারেন।






Gopal Adhikari
September 2, 2024Please suggest best etf