Article By – সুনন্দা সেন

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ (Reliance Industries)-এর ডিজিটাল ও টেলিকম শাখা জিও প্ল্যাটফর্ম (Jio Platforms) প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের IPO আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে, নবরাত্রির সময় IPO বাজারে আসতে পারে। তবে পরিকল্পনা পিছিয়ে গেলে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ বা দীপাবলির সময়ও সম্ভাব্য উইন্ডো হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেবি (SEBI) ইতিমধ্যেই ২৮ আগস্ট, ২০২৬ জিও প্ল্যাটফর্মের প্রায় ৩৭,৭০০ কোটি টাকা থেকে ৩৭,৮০০ কোটি টাকার IPO-তে অনুমোদন দিয়েছে।
এছাড়া আরও জানা যাচ্ছে যে সংস্থাটি প্রায় ২৭ কোটি নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। পোস্ট-IPO বা প্রাথমিক পাবলিক অফার প্রকাশ পাওয়ার আগে ইক্যুইটির প্রায় ২.৯%। IPO থেকে পাওয়া অর্থের বড় অংশ, যা প্রায় ২৭,৫০০ কোটি। রিলায়েন্স জিও ইনফোকম (Reliance Jio Infocomm)-এর ঋণ পরিশোধে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই IPO সফল হলে এটি ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় IPO হয়ে উঠতে পারে। যা ২০২৪ সালে হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া (Hyundai Motor India)-এর প্রায় ২৭,০০০ কোটি টাকার IPO রেকর্ডকে ছাপিয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে, বাজারে Jio-এর আলাদা মূল্যায়ন কতটা হয়, তারও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
জিওর প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের IPO সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলতে পারে শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে। IPO এলে খুচরো বিনিয়োগকারীরাও জিও প্ল্যাটফর্মের অংশীদার হওয়ার সুযোগ পাবেন। IPO-এর দাম আকর্ষণীয় হলে বিপুল সংখ্যক মানুষ শেয়ার কিনতে আগ্রহী হতে পারেন। অন্যদিকে, বাজারে জিওর মূল্যায়ন বেশি হলে শেয়ার কেনার পর ভবিষ্যতে দামের ওঠানামার ঝুঁকিও থাকবে। কোম্পানি IPO-এর টাকা দিয়ে ঋণ কমালে ভবিষ্যতে আর্থিক চাপ কিছুটা কমতে পারে, যা ব্যবসা সম্প্রসারণে সাহায্য করতে পারে।




