Article By – সুনন্দা সেন

আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রূপার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চে পৌঁছানোর পর স্থিতিশীল ছিল। কারণ মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীরা লাভের আশায় ছিলেন। সোমবার (১৪ জুলাই) বিশ্বব্যাপী স্পট রুপার দাম ০.৩% বেড়ে প্রতি আউন্স ৩৮.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আর আজ ভারতে প্রতি গ্রাম রূপার দাম ১১৯ টাকা এবং প্রতি কেজি ১,১৯,০০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX), আগের সেশনে রূপার দাম প্রতি কেজি ১,১৫,১৩৬ টাকার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
রুপির দুর্বলতাও অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বাড়িয়েছে। এছাড়া যদি ডলারের বিপরীতে রুপির দাম আরও কমে যায় এবং বিশ্ব বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকে, তাহলে ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য রুপোর দাম আরও বেড়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে কানাডা এবং মেক্সিকোর উপর মার্কিন রাষ্ট্রপতির নতুন বাণিজ্য শুল্ক ঘোষণা সরবরাহ উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আর তা দাম ও চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সোনা এবং রুপো উভয়কেই সহায়তা দিয়েছে। বাজার এখন মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারের প্রবণতাকে পথ দেখাতে পারে এবং মূল্যবান ধাতুগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে।
KCM ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, সরবরাহ উদ্বেগ এবং ক্রমবর্ধমান শিল্প চাহিদার কারণে রুপো লাভবান হচ্ছে। বিশ্লেষকরা গ্রীন টেকনোলজি এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের জোরালো চাহিদার দিকে ইঙ্গিত করছেন। এদিকে ধাতুটি সরবরাহ ঘাটতির পঞ্চম বছরে রয়েছে, যা বুলিশ ভাবনাকে আরও বাড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন যে আগামী মাসগুলিতে সিলভার ফিউচার ১.২২-১.২৩ লক্ষ টাকা/কেজি রেঞ্জে লেনদেন হবে। মেহতা ইক্যুইটিজের কমোডিটিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল কালান্ত্রি বলেন, রুপো প্রতি আউন্স ৩৭.৯০–৩৭.৬০ ডলার সমর্থনে রয়েছে। আর ভারতে প্রতি ১০ কেজির রুপোর দাম ১,১২,০৮০–১,১১,৩৫০ ডলার সমর্থনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।




